হোম > সারা দেশ > টাঙ্গাইল

অলোয়া উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 

অলোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১০ থেকে ২০২৩ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করে। ছবি: আজকের পত্রিকা

কৈশোরের সেই চঞ্চল দিনগুলো আজ কেবলই স্মৃতি। কিন্তু সেই স্মৃতিরা যে আজও কতটা জীবন্ত, কতটা প্রাণোচ্ছল—তার এক অনন্য নজির সৃষ্টি হলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরের দিন। এদিন টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠ পরিণত হয়েছিল স্মৃতির মেলায়। স্কুলের ২০১০ থেকে ২০২৩ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা আয়োজন করে ঈদ পুনর্মিলনী।

ঈদের আনন্দ আর বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো সময় এই দুইয়ের মিলে তৈরি হয়েছিল এক অভূতপূর্ব আমেজ। স্কুল মাঠে সকাল ৯টার পর থেকেই পুরোনো বন্ধুরা জড়ো হতে থাকে, যেখানে পা রেখেই জীবনের প্রথম বড় অর্জনের স্বাদ পেয়েছিলেন তাঁরা। দীর্ঘ সময় পর একে অপরের মুখোমুখি হওয়া, বুকে জড়িয়ে ধরা আর ফেলে আসা দিনগুলোর গল্পে মেতে ওঠা যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতির জন্ম দিয়েছিল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ২০১০-২৩ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। এদিন তাঁরা শত কর্মব্যস্ততা দূরে ফেলে সব বাধা পেরিয়ে ছুটে এসেছিলেন প্রিয় সহপাঠীদের কাছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক এস এম শামছুর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য শিক্ষকসহ বিশেষ অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক এস এম শামছুর রহমান। ছবি: আজকের পত্রিকা

বেলা গড়াতেই স্কুল প্রাঙ্গণে দেখা যায় আনন্দের এক বাঁধভাঙা জোয়ার। কেউ কাউকে জড়িয়ে ধরে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছেন, কেউবা আবার স্কুলজীবনের সেই পুরোনো ডাকনাম ধরে ডেকে একে অপরকে চমকে দিচ্ছেন। দীর্ঘ সময় পর দেখা হওয়ায় অনেকের চোখেমুখে ছিল বিস্ময় আর আনন্দের ঝিলিক।

সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই মিলনমেলায় প্রধান আকর্ষণ ছিল একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও স্মৃতিচারণা।

বন্ধুরা আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আজ আমরা বাস্তব জীবনের নানা প্রয়োজনে কেউ সরকারি কর্মকর্তা, কেউ সফল ব্যবসায়ী, কেউ সাংবাদিক কিংবা কেউ দায়িত্বশীল গৃহকর্তা। কিন্তু এই স্কুলের গেট দিয়ে যখন ভেতরে ঢুকলাম, তখন মনে হলো আমরা সেই ১৫-১৬ বছরের কিশোর।’

পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে আনন্দের আরেকটি বড় অনুষঙ্গ ছিল ছবি তোলা। ছবি: আজকের পত্রিকা

অনুষ্ঠানজুড়ে আনন্দের আরেকটি বড় অনুষঙ্গ ছিল ছবি তোলা। কখনো দল বেঁধে মাঠের মাঝখানে, কখনোবা ক্লাসরুমের বারান্দায় ক্যামেরার ক্লিকেই বন্দী হচ্ছিল হারিয়ে যাওয়া শৈশবের সেই অমলিন হাসিগুলো। বন্ধুদের হাসিমুখ আর শৈশবের পাঠশালায় ফিরে আসার সেই আনন্দ যেন ডিজিটাল লেন্সের মাধ্যমে ভবিষ্যতে চিরস্থায়ী হয়ে রইল।

কেবল আড্ডা আর গল্পেই সীমাবদ্ধ ছিল না এই পুনর্মিলনী। উপস্থিত বন্ধুরা একমত হন, এখন থেকে নিয়মিত বিরতিতে তাঁরা এমন মিলনমেলার আয়োজন করবেন।

সূর্য যখন পশ্চিম দিগন্তে পাটে বসেছে এবং সন্ধ্যার আবছায়া নেমে এসেছে, তখনো বন্ধুদের আড্ডা থামার লক্ষণ ছিল না। তবে নিয়মের টানে বিদায় নিতেই হয়। এক বুক স্মৃতি আর অটুট বন্ধুত্বের প্রতিশ্রুতি নিয়ে একে একে বিদায় নেন বন্ধুরা। যাওয়ার সময় সবার চোখে ছিল তৃপ্তির আভা আর মুখে ছিল সেই চিরচেনা হাসি।

‘শামসুর রাহমান নাগরিক কবি হলেও তাঁর মধ্যে ছিল শেকড়ের টান’

রাজধানীর লালবাগে গলায় ফাঁস দিয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

রাজধানীর খিলগাঁও থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২

কুষ্টিয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৪

বরিশালে পুলিশের সামনে লাথি মেরে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ

কুড়িগ্রামে শাবলের আঘাতে কৃষক খুন, ছেলে আটক

রাজশাহীতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

ঈদের ছুটিতে ​সিলেটে সাদাপাথরে পর্যটকদের ভিড়

নেত্রকোনায় জমির বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

ঈদের ছুটিতে গাজীপুর সাফারি পার্কে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়