হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণ: ঘটনার তদন্তে পৃথক ২টি কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

গতকাল সোমবার ভোরের দিকে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর থানাধীন এসি মসজিদের পাশে হালিমা মঞ্জিলের ৩য় তলায় রান্না ঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ ঘটে। ছবি: আজকের পত্রিকা

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)। আজ মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক কবির উদ্দিন আহম্মদ বলেন, দুর্ঘটনার কারণগুলো খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া ঘটনার তদন্তে পৃথক আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকেও একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার ভোরে নগরীর হালিশহরের এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের একটি আবাসিক ভবনের রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে নারী, শিশুসহ নয়জন দগ্ধ হন।

দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মো. সাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তাঁর স্ত্রী নুরজাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন (১৬) ও মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা (১০) এবং সাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমন (৪০), তাঁর স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫), মেয়ে আয়েশা (৪) ও ছেলে ফারহান আহমেদ আনাস (৬) এবং সাখাওয়াতের আরেক ছোট ভাই শিপন হোসেন (৩০)।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সবাইকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।

এর মধ্যে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সামির আহমেদ সুমন মারা যান, একই দিন সকালে মারা যায় শাওন (১৬)। সোমবার মারা যান শাওনের মা নুরজাহান আক্তার রানী। এ নিয়ে তিনজনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান।

বর্তমানে মো. সাখাওয়াত হোসেন ১০০ শতাংশ, মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, আশুরা আক্তার পাখি ১০০ শতাংশ, আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ ও শিপন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের সবার অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক।

দগ্ধ সাখাওয়াতের চাচাতো ভাই মো. মিলন জানান, তাঁদের বাড়ি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাগমারা গ্রামে। সাখাওয়াত হোসেন হালিশহরে মোটর পার্টসের ব্যবসা করেন। পর্তুগালপ্রবাসী ভাই সুমন চলতি মাসের ৪ তারিখে দেশে আসেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার জন্য সুমন পরিবার নিয়ে চট্টগ্রামে সাখাওয়াতের বাসায় আসেন। আরেক ছোট ভাই শিপন হালিশহরেরই বাসিন্দা।

দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঘরে জমে যাওয়া গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছে।

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণের ঘটনায় স্বামীর পর মারা গেলেন স্ত্রী, নিহত বেড়ে ৪

মৃত্যুর আগপর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদে যোগ দেব না: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

বান্দরবানে গহিন অরণ্যে ৪৩ একর পপিখেত ধ্বংস‎

বরিশালে আ.লীগ নেতাকে জামিনের জের, আদালত কক্ষে হট্টগোল

বিএনপিতে চাঁদাবাজদের ঠাঁই হবে না: এমপি জালাল উদ্দিন

শিবালয়ে যাত্রীবাহী বাসে চাঁদাবাজি, যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

একুশে বইমেলা শুরু বৃহস্পতিবার, থাকছে ৫৪৯ প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রদ্ধা

প্রাইভেট কার থেকে ওয়াকিটকি ও চায়নিজ কুড়াল উদ্ধার, গণঅধিকার নেতা কারাগারে

শ্রীপুরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে রহস্যময় আগুন