হোম > সারা দেশ > নীলফামারী

নীলফামারী-৪ আসন: প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৯ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর চাপে বিএনপি

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি

ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফমারী-৪ (কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন ৯ প্রার্থী। সবাই প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন জোরেশোরে। এখানে বিএনপির বড় প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী জামায়াত। তবে জামায়াতকে সামাল দেওয়ার পাশাপাশি বিদ্রোহী প্রার্থীর দিকেও নজর দিতে হচ্ছে। এদিকে জাতীয় পার্টি আসনটি পুনরুদ্ধারের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে ত্রিমুখী চাপে বিএনপি।

নীলফামারী-৪ আসন কিশোরগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন এবং সৈয়দপুর উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৬ হাজার ৭২৮ জন। অন্যদিকে নারী ভোটার ২ লাখ ২৫ হাজার ৮১ এবং তৃতীয় লিঙ্গের পাঁচজন।

অতীতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি থেকে এই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৭০ সালে নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে আজাহারুল ইসলাম, ১৯৭৩ সালে নৌকা প্রতীকে জোনাব আলী, ১৯৭৯ সালে ধানের শীষ প্রতীকে মজিবর রহমান, ১৯৮৬ সালে রওশন আলী দুলু মিয়া, ১৯৯১ সালে ন্যাপ মনোনীত এ কে এম হাফিজ উদ্দিন, ১৯৯৬ সালে লাঙল প্রতীকে ড. আসাদুর রহমান (ভেলু), ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন সরকার ও ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কর্নেল মারুফ সাকলাইন জয়লাভ করেন। ২০১৩ সালে জাতীয় পার্টি মনোনীত শওকত চৌধুরী, ২০১৮ সালে মহাজোট মনোনীত জাপা প্রার্থী আদেলুর রহমান আদেল এবং ২০২৪ সালের ডামি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন জাতীয় পার্টির নেতা সিদ্দিকুল আলম।

আসনটিতে এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, লাঙল প্রতীকে সিদ্দিকুল আলম, পাতপাখা প্রতীকে শহিদুল ইসলাম, ফুটবল প্রতীকে রিয়াদ আরফান সরকার, মোটরসাইকেল প্রতীকে এস এম মামুনুর রশিদ, ঘোড়া প্রতীকে জোবায়দুর রহমান হীরা, কাঁচি প্রতীকে মাইদুল ইসলাম, কাঁঠাল প্রতীকে মির্জা মো. শওকত আকবর (রওশন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মোট ভোটারের মধ্যে ৬০ হাজারের বেশি অবাঙালি রয়েছেন সৈয়দপুর শহরে। তা ছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বী ও নতুন ভোটারের সংখ্যাও কম নয়। এ সুযোগটিই নিতে চায় জামায়াত।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এরশাদ জেলে থাকার সময় আঞ্চলিক টানে জাতীয় পার্টি এই আসনে একটা ভোটব্যাংক তৈরি করে। দীর্ঘ ১৭ বছরে জামায়াতও গড়েছে পৃথক ভোটব্যাংক। এদিকে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত সব হিসাব-নিকাশ ফেলে চূড়ান্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় পার্টির প্রার্থীর মধ্যেই।

টেকনাফে জালে উঠল ১১২ মণ নাগু মাছ, ২০ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি

রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মা খুন

কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে ৮ ঘণ্টা, অচল চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম বন্দরে এক মাস মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ, আওতামুক্ত নির্বাচনী সভা

ফরিদপুর-৪ আসন: জামায়াত জোটে বিভক্তি বিএনপির পাশে আ.লীগ

তারেক রহমানের উপহার পাওয়া অন্ধ গফুরের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট

পদ্মায় গোসলে নেমে এমআইএসটির ছাত্র নিখোঁজ

যশোরে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

মাদারীপুরে জুয়াড়িদের রডের আঘাতে আহত নৈশপ্রহরী মারা গেছেন

ইসলামি বিধানের কল্যাণের কথা তুলে ধরতে হবে: ইবি উপাচার্য