শেরপুর-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কে মিনি ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিন মাস বয়সী শিশুসহ পাঁচজন আহত হয়েছে। আজ বুধবার সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের শিমুলতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন রোকনুজ্জান রুকন (৩১) ও মাহফুজা (১৯)। রোকনুজ্জান রুকন শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। তাঁর বাড়ি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলায়।
অপরজন মাহফুজা জামালপুরের মাদারগঞ্জের কাতলামারি এলাকার বাসিন্দা মো. নীরবের স্ত্রী।
আর আহত ব্যক্তিরা হলো শাহীন (৩০), রায়হান (৩০), মোহাম্মদ (২৮), সুরাইয়া (২২) ও নিহত মাহফুজার তিন মাস বয়সী শিশুসন্তান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, গত সোমবার জরুরি পারিবারিক কাজে রোকনুজ্জান রুকন শেরপুর থেকে গ্রামের বাড়িতে যান। আজ সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে তিনি বাড়ি থেকে বের হন নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে।
সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে শেরপুরে আসার পথে সদর উপজেলার শিমুলতলী এলাকায় একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ সাতজন গুরুতর আহত হয়।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাহফুজাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আর গুরুতর অবস্থায় সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রোকনুজ্জামানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। অন্য পাঁচজন জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শেরপুর-১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক বলেন, ‘একজন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছি। তাঁর কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের জন্য অন্য একজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আমাদের হাতে পর্যাপ্তসংখ্যক কর্মকর্তা রয়েছেন।’