কুমিল্লার হোমনায় এক সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রী, ছেলে ও ভাতিজার গলাকাটা লাশ মিলেছে। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার উত্তর মনিপুর তরফ আলীর বাড়িতে তাঁদের লাশ পাওয়া যায়।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন তরফ আলীর ছেলে সৌদিপ্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী সুখী (৩০) এবং তাঁর ছেলে হোসাইন (৫)। আরেকজন হলেন জহিরুলের ভাতিজা জুবায়েদ (৪)। জুবায়েদের বাবা সৌদিপ্রবাসী আবদুস সাত্তার।
তুষি নামের এক স্বজন জানান, জহিরুলের স্ত্রী সুখী তাঁর একমাত্র ছেলেকে নিয়ে দালানঘরে থাকতেন। গতকাল রাতে সুখীর দেবরের ছেলে জুবায়েদও তাঁর সঙ্গে ঘুমাতে যায়। আজ সকালে অনেক বেলা হয়ে গেলেও কেউ ঘুম থেকে না ওঠায় তাঁদের ডাকতে যান জুবায়েদের মা। তিনি দরজার সামনে গিয়েই দেখেন, তাঁর ছেলের গলাকাটা লাশ মেঝেতে পড়ে আছে। তাঁর চিৎকারে বাড়ির লোকজন ছুটে আসেন। তাঁরা দেখেন পাশের কক্ষে এককোণে সুখী এবং আরেক পাশে তাঁর ছেলে হোসাইনের গলাকাটা লাশ পড়ে আছে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে আছেন এবং এই তিন খুনের রহস্য উদ্ঘাটন ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।