ভারতী পার্লামেন্টের একজন সদস্য হিসেবে আমি ঢাকায় ক্রমবিকাশমান ঘটনাবলি গভীর মনোযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছি। আমার অনুভূতিতে ছিল সতর্ক আশাবাদ। ছিল প্রতিবেশী দেশের গণতান্ত্রিক সহনশীলতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। ২০২৬ সালের বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন—যেখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে—তা কেবল একটি সরকার পরিবর্তনের ঘটনা নয়। এটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মানচিত্রে এক গভীর ও কাঠামোগত পরিবর্তনের সূচনা। একে নিছক নির্বাচন বলা যায় না, এটি এক ঐতিহাসিক বাঁকবদল।
আমি আমার প্রিয় বন্ধু, বাংলাদেশের প্রাজ্ঞ সম্পাদক মাহ্ফুজ আনামের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। তিনি এই নির্বাচনকে এমন একটি মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশকে ‘রক্ষা’ করেছে। নয়াদিল্লি থেকে আমার দৃষ্টিতে স্পষ্ট—ভারতীয়দের উচিত তাঁর উত্থাপিত মূল যুক্তিগুলো গভীরভাবে অনুধাবন করা এবং সেগুলোর প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো। এই রূপান্তর হলো স্বৈরতন্ত্রের ওপর জনগণের ইচ্ছাশক্তির বিজয়। এটি পশ্চাৎমুখী উগ্রবাদের প্রতি প্রত্যাখ্যান। এবং একই সঙ্গে এটি ভারতের একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল বাংলাদেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের এক বিরল ও ঐতিহাসিক সুযোগ।
বাংলাদেশে এই নতুন যুগের ভিত রচিত হয়েছে প্রথম ভোট পড়ার অনেক আগে। ২০২৪ সালে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে যে ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়—যা ‘বর্ষা বিপ্লব’ নামে পরিচিত—সেই আন্দোলন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে ভেঙে দেয়। সেই আন্দোলন এমন এক শাসনের পতন ঘটায়, যেটিকে অনেকেই অচল ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী বলে মনে করতেন। একজন ভারতীয় আইনপ্রণেতা হিসেবে পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনে নাগরিক সম্পৃক্ততার ব্যাপকতা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি।
২০২৬ সালের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৬০ শতাংশ। ব্যাপক বয়কটের শিকার আগের নির্বাচনী চক্রে এই হার ছিল মাত্র ৪২ শতাংশ। এই বৃদ্ধি কেবল সংখ্যাগত অগ্রগতি নয়; এটি রাজনৈতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক। এটি স্পষ্ট করে যে, বাংলাদেশের জনগণ রাষ্ট্রে নিজেদের অংশীদারত্ব পুনরুদ্ধার করেছে। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে ‘গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ’ নিয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু ঢাকা প্রমাণ করেছে—রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান যখন চরম চাপে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষের সম্মিলিত ইচ্ছাশক্তি—বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে—গণতন্ত্রকে বৈধতার পথে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম।
এই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী তরুণেরা নিজেরা সরাসরি রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করেনি। বরং প্রায় দুই দশক রাজনৈতিক প্রান্তিকতায় থাকার পর ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছে বিএনপি। দলের নেতৃত্বে আছেন তারেক রহমান। এ এক বিরল রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন। সমালোচকেরা দলটির অতীতের নানা বিতর্ক ও দায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এবারের প্রচারণা ছিল ভিন্ন প্রকৃতির। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি নিজেকে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করে। এই সনদে ছিল বিস্তৃত সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রস্তাব, যার মূল লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতে একদলীয় শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ করা। দলটি অতীতের কিছু বিচ্যুতি থেকে সরে আসার অঙ্গীকার করে এবং মধ্যপন্থা থেকে দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দেয়।
দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে—মোট ২১২টি আসন পেয়ে—বিএনপি কার্যকরভাবে শাসন পরিচালনার স্পষ্ট জন–ম্যান্ডেট লাভ করেছে। তবে ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো দলের সচেতন অন্তর্ভুক্তিমূলক অবস্থান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে তারেক রহমান ঘোষণা করেন, তিনি বাংলাদেশকে ‘সব ধর্মের মানুষের—মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানদের—নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ হিসেবে গড়ে তুলবেন।
ভারতে আমরা, বিশেষত সংসদীয় পররাষ্ট্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। সেই প্রেক্ষাপটে এই প্রতিশ্রুতি একটি প্রয়োজনীয় ও স্বাগত বার্তা। এটি কেবল কূটনৈতিক বক্তব্য নয়; এটি আস্থার ভিত্তি গড়ে তোলার একটি পদক্ষেপ।
বাংলাদেশি বিশ্লেষকদের মধ্যে মাহ্ফুজ আনাম একটি সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। ভোটারেরা রাজনৈতিক পরিসরের অধিক পশ্চাৎমুখী শক্তিগুলোর প্রতি সীমা টেনে দিয়েছেন। যদিও জামায়াতে ইসলামী আসনসংখ্যা কিছুটা বাড়িয়েছে, শেষ পর্যন্ত তারা সরকার গঠন করতে পারেনি এবং বিরোধী দলেই অবস্থান নিয়েছে।
বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, নারী ও তরুণ ভোটারেরা রাজনৈতিক পরিপক্বতা প্রদর্শন করেছেন। তারা সংস্কারের আহ্বানকে সমর্থন করেছেন, কিন্তু নারীর অধিকার ও ধর্মীয় রক্ষণশীলতা বিষয়ে জামায়াতের প্রচারণায় যে পশ্চাৎমুখী বক্তব্য উঠে এসেছিল, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই অবস্থান দেখায় যে, পরিবর্তন চাইলে মানুষ সংস্কারমুখী হতে পারে, কিন্তু তারা অধিকার ও বহুত্ববাদকে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত নয়।
এই ‘জামায়াত প্রত্যাখ্যান’ ভারতের জন্য গভীর তাৎপর্য বহন করে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, নতুন বাংলাদেশ একটি মধ্য-ডানপন্থী, জাতীয়তাবাদী কিন্তু বহুত্ববাদী রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইসলামপন্থী রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে নয়। ভারতের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থের দিক থেকে এই পার্থক্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি স্থিতিশীল ও মধ্যপন্থী প্রতিবেশী আমাদের দীর্ঘ যৌথ সীমান্তে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের বিস্তার ঠেকাতে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।
আমরা সবাই জানি, পাকিস্তান অস্থিরতার সুযোগ নিতে সদা প্রস্তুত। যদি সরকারের ভেতরে জামায়াতের অতিরিক্ত প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হতো, তবে তা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থের বিরুদ্ধে বাইরের হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারত। সেই সম্ভাবনাকে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে সীমিত করেছে। এ কারণেই ২০২৬ সালের এই নির্বাচন কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়। এটি আঞ্চলিক ভারসাম্য, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান এবং ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ।
নয়াদিল্লির জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো—নতুন যাত্রা শুরুর সুযোগ বুঝে নেওয়া। বহুদিন ধরে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি ঢাকায় একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে বাঁধা ছিল বলে ধারণা তৈরি হয়েছিল। আগের সরকারের পতন এবং পরে জামায়াত ও ছাত্রদের উত্থান আমাদের শাসক মহলে শুরুতে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করেছিল। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্রুত তারেক রহমান ও তাঁর দল বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে অভিনন্দন জানিয়ে পরিষ্কার বার্তা দেন। ভারতের কাছে উপমহাদেশে বাস্তবভিত্তিক কূটনীতি, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে ভোটারদের উদ্দেশে দেওয়া রাজনৈতিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
শিগগিরই ঢাকায় নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার নিয়োগ দেওয়া হবে। সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের সম্পর্কের সঙ্গে যার কোনো সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। তিনিই এই নতুন প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবেন। সম্ভাব্য প্রার্থী একজন অসাধারণ কর্মকর্তা। তাঁর সঙ্গে আমি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। তাঁর উষ্ণ, আন্তরিক ও পরিপক্ব আচরণ আমাদের সম্পর্ক জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমি নিশ্চিত।
ভারতকে এখন শেখ হাসিনাকেন্দ্রিক আগের নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি আমাদের নিরাপত্তা স্বার্থে মনোযোগী ও বিশ্বস্ত বন্ধু ছিলেন। তাঁকে অবশ্যই বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিয়ে মৃত্যুদণ্ডের মুখে ঠেলে দেওয়া উচিত নয়। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের বুঝতে হবে, ২০২৬ সালের বিএনপি এমন একটি দল, যারা ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারত্বের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রয়োজনীয়তা বোঝে।
বাংলাদেশ এখনো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। তবে পোশাক খাতের বাইরে দেশের অর্থনীতি আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। আমাদের উচিত তাদের গণতান্ত্রিক প্রত্যাবর্তনকে সমর্থন করা। তারা যে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার করছে, প্রয়োজন হলে তাতে সহায়তা করা।
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা আনন্দিত হতে পারি। কিন্তু অন্ধকার দিকও উপেক্ষা করা যাবে না। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গণপিটুনি ও সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৫ সালে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিরুদ্ধে বেশির ভাগই সংঘটিত ৫২২টি সাম্প্রদায়িক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এটি কলঙ্কজনক। নতুন সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে এই দাগ মুছে ফেলতে হবে।
তারেক রহমানের প্রকৃত পরীক্ষা হবে আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। একজন ভারতীয় হিসেবে আমি মনে করি, আমাদের ভূমিকা হওয়া উচিত সহযোগী অংশীদারের। নাক গলানো প্রতিবেশীর নয়। বিচার বিভাগীয় প্রশিক্ষণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তুলতে আমরা সহযোগিতা করতে পারি। এতে পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলের মানুষ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি উপকৃত হবে বাংলাদেশের মানুষও। ভিসা সহজ করা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোও খুব সহায়ক হবে।
বিবেচক বাংলাদেশিরা মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকার যে নির্বাচন আয়োজন করেছে, তা দেশকে একদলীয় শাসনের চূড়ান্ত অবক্ষয় এবং ক্ষমতার শূন্যতার বিশৃঙ্খলা থেকে রক্ষা করেছে। এই নির্বাচনে একটি স্পষ্ট সংস্কারমুখী ম্যান্ডেটসহ সরকার এসেছে। আর ১৯ বছরের নির্বাসন শেষে ফিরে আসা একজন নেতা এসেছেন, যিনি পরিচ্ছন্ন রাজনীতির অঙ্গীকার করেছেন এবং ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহ দেখিয়েছেন।
নয়াদিল্লির জন্য বার্তাটি স্পষ্ট। একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ সম্ভাব্যভাবে আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী মিত্র হতে পারে। কিন্তু সম্পর্ক সঠিকভাবে পরিচালনা না করলে, আমাদের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে অবস্থিত এই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ভারতের জন্য দুর্বল ‘সফট আন্ডারবেলি’ বা দুর্বলতা হয়ে উঠতে পারে। তাই অতীতের পূর্বধারণা ভুলে, খোলা মন ও পরিষ্কার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে হবে। পারস্পরিক সম্মান, যৌথ সমৃদ্ধি এবং বহুত্ববাদী মূল্যবোধের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।
প্রথম কাজ হিসেবে আমাদের টানাপোড়েনপূর্ণ ক্রিকেটীয় সম্পর্ক দ্রুত ঠিক করা উচিত। বিশ্বকাপের সুযোগ থেকে অন্যায়ভাবে বঞ্চিত হওয়া বাংলাদেশ দলকে ভারতে সফরের আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে। প্রতিবছর দুলীপ ট্রফিতে একটি বাংলাদেশি দলকে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিলে তারা ভারতের সেরা খেলোয়াড়দের বিপক্ষে খেলে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে পারবে। এখন সময়, পাশের দেশের ক্রিকেটকে লালন করার। এবং হ্যাঁ, মোস্তাফিজুর রহমানের মতো বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএলে আবার স্বাগত জানানো উচিত!
বাংলাদেশের ‘বর্ষা বিপ্লব’ অবশেষে তার যৌক্তিক ও গণতান্ত্রিক পরিণতিতে পৌঁছেছে। বৃষ্টি থেমেছে। মেঘ সরে যাচ্ছে। এখন শুরু হচ্ছে দেশ পুনর্গঠনের কঠিন কাজ। এই সময়ে ভারতের উচিত পাশে দাঁড়ানো। বন্ধুর মতো। ছাতা হাতে। যেন জমে থাকা পানির ওপর আমাদের রেইনকোট ছড়িয়ে দিয়ে প্রতিবেশী ও বন্ধুকে নতুন পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করা যায়।
এনডিটিভি থেকে অনুবাদ করেছে আজকের পত্রিকার সহসম্পাদক আব্দুর রহমান