হোম > বিশ্লেষণ

ইরান থেকেই কি শুরু হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

প্রতীকী ছবি

‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ এখন আর হেলাফেলায় ছুড়ে ফেলার মতো শব্দবন্ধ নয়। সাম্প্রতিক সময়ে এই যুদ্ধ আসন্ন—এমন ঘোষণা দেওয়া রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বর্তমান যুদ্ধও এর ব্যতিক্রম নয়। ব্রিটিশ গণমাধ্যমে আলোচনা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান যদি ইরানে বোমা হামলার পথে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি ব্যবহার করতে পারে, তাহলে কীভাবে ব্রিটেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।

এর আগে ২০২২ ও ২০২৩ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন মার্শমেয়ার, টাকার কার্লসন, ইলন মাস্কসহ বিভিন্ন ব্যক্তি সতর্ক করেছিলেন, ইউক্রেনকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করলে তা একটি বৈশ্বিক অগ্নিকাণ্ড ডেকে আনবে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক জরিপে দেখা গেছে, ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

বিশ্বরাজনীতির বিশৃঙ্খলা বোঝার জন্য বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধের মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি। এটি কেবল শব্দের খেলা বা একাডেমিকভাবে নিখুঁত হওয়ার বিষয় নয়, বরং বিচক্ষণ নীতিনির্ধারণের জন্য অপরিহার্য, এমনকি মানসিক স্থিতি বজায় রাখার জন্যও দরকারি।

রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ উভয়ই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনা গুরুতর সংঘাত। তবু এগুলো আঞ্চলিক যুদ্ধই। ইরান প্রতিবেশীদের ওপর পাল্টা আঘাত হানলেও তারা যুদ্ধে যোগ দেবে কি না তা অনিশ্চিত। তারপরও এই বাস্তবতা বদলায় না। আঞ্চলিক যুদ্ধ, সীমিত যুদ্ধ বা নানা ধরনের হাইব্রিড ও অসম যুদ্ধের তুলনায় একটি বিশ্বযুদ্ধ মহাশক্তির রাজনীতি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ওপর অনেক বেশি প্রভাব ফেলে।

হ্যাঁ, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তা অঞ্চল ছাড়িয়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এই বা অন্য কোনো সংঘাতকে বিশ্বযুদ্ধ বলতে হলে চারটি শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত, একটি বিশ্বযুদ্ধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সব বা অধিকাংশ মহাশক্তি সরাসরি পরস্পরের মুখোমুখি হয়। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধ-সংক্রান্ত সামরিক অভিযান বৈশ্বিক পরিসরে বিস্তৃত হয় অথবা অন্তত দুই বা ততোধিক মহাদেশে সংঘটিত হয়। তৃতীয়ত, বিশ্বযুদ্ধ হলো সর্বাত্মক যুদ্ধ, সীমিত যুদ্ধ নয়। অর্থাৎ মহাশক্তিগুলো তাদের সামরিক শক্তি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদের বিপুল অংশ যুদ্ধে নিয়োজিত করে। চতুর্থত, যুদ্ধের ফলাফল হতে হবে পদ্ধতিগত বা কাঠামোগত প্রভাববাহী, অর্থাৎ মহাশক্তিগুলোর শক্তির ভারসাম্যে স্পষ্ট পরিবর্তন ঘটতে হবে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ স্পষ্টতই এই চারটি মানদণ্ড পূরণ করেছিল। এতে তৎকালীন সব মহাশক্তি জড়িত ছিল, যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল সব বসবাসযোগ্য মহাদেশে, এটি ছিল সর্বাত্মক যুদ্ধ এবং এর ফলাফল ছিল গভীর পদ্ধতিগত পরিবর্তন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন সুপারপাওয়ার হিসেবে উঠে আসে, আর ইউরোপের পূর্বতন মহাশক্তিগুলো ধীরে ধীরে তাদের মর্যাদা ও উপনিবেশ হারায়। এই যুদ্ধের ফলেই জাতিসংঘ এবং ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠানগুলোর সৃষ্টি হয়, যা বৈশ্বিক ব্যবস্থাকে সংগঠিত করার এক সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ মূলত ইউরোপকেন্দ্রিক হলেও শেষ পর্যন্ত তৎকালীন সব মহাশক্তিকে এতে জড়িয়ে ফেলে, যার মধ্যে ক্ষয়িষ্ণু ওসমানী সাম্রাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রও ছিল। যুদ্ধটি বৈশ্বিক রূপ নেয়, আফ্রিকা ও এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলে ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোর কারণে একাধিক ফ্রন্ট তৈরি হয়। আফ্রিকার ২০ লাখের বেশি এবং ভারতের ১০ লাখ ঔপনিবেশিক প্রজা যুদ্ধে লড়াই করে বা অন্যভাবে অংশ নেয়। মিত্রশক্তি এবং জাপান, যা ১৯১৪ সালে জার্মান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল, দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকা থেকে চীন, নিউ গিনি ও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত জার্মান উপনিবেশগুলো দখল করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নিঃসন্দেহে সর্বাত্মক যুদ্ধ ছিল। এর পদ্ধতিগত প্রভাবও ছিল ব্যাপক, বিশেষত রুশ, জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় এবং অটোমান সাম্রাজ্যের পতন।

ইতিহাসে খুব কম যুদ্ধই বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে গণ্য হওয়ার মতো মানদণ্ড পূরণ করে। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলসহ অনেকে মনে করেন, ১৭৫৬ থেকে ১৭৬৩ সালের সাত বছরের যুদ্ধ ছিল প্রথম প্রকৃত বিশ্বযুদ্ধ। গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, প্রুশিয়া ও অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তি মূলত ইউরোপেই লড়াই করলেও যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে উত্তর আমেরিকা (যেখানে এটি ফরাসি ও ভারতীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত), দক্ষিণ এশিয়া এবং অন্যান্য অঞ্চলে। এই যুদ্ধ ব্রিটেনের বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে অবস্থানও সুদৃঢ় করে।

আরও কিছু বিশ্লেষক বৃহৎ ইউরোপীয় সংঘাতগুলোকেও বিশ্বযুদ্ধের পর্যায়ে ফেলেন। কারণ, এসব যুদ্ধ সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলোর উপনিবেশেও ছড়িয়ে পড়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে ১৬৮৮-১৬৯৭ সালের ৯ বছরের যুদ্ধ, ১৭০১-১৭১৪ সালের স্পেনীয় উত্তরাধিকারের যুদ্ধ, ১৭৯২-১৮০২ সালের ফরাসি বিপ্লব সময়কালীন যুদ্ধ এবং ১৮০৩-১৮১৫ সালের নেপোলিয়নের যুদ্ধ। আরেকটি সম্ভাব্য উদাহরণ হলো ত্রয়োদশ শতকে ইউরেশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলজুড়ে মঙ্গোলদের বিজয় অভিযান। তবু বিশ্বযুদ্ধের তালিকা প্রসারিত করলেও এর সংখ্যা খুবই সীমিত।

স্নায়ুযুদ্ধ ছিল বৈশ্বিক পরিসরের। যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিদ্বন্দ্বিতার ফলে বিশ্বের নানা অঞ্চলে একাধিক আঞ্চলিক ও প্রক্সি যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু দুই পরাশক্তি কখনো সরাসরি সামরিক সংঘর্ষে জড়ায়নি। এই কারণেই এর নাম হয়েছিল ‘স্নায়যুদ্ধ।’ ওয়াশিংটনের তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধও বৈশ্বিক ছিল, তবে সেটি ছিল অত্যন্ত অসম এক যুদ্ধ, কোনো বড় শক্তির পারস্পরিক সংঘাত নয়।

বর্তমান রাজনৈতিক আলোচনায় যেসব সম্ভাব্য সংঘাত নিয়ে কথা হচ্ছে, সেগুলোর অবস্থা কী? ইউক্রেন অবশ্যই রাশিয়ার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত। এই যুদ্ধে পণ শুধু একটি ভূখণ্ড নয়, পুরো জাতি হিসেবে ইউক্রেনের অস্তিত্ব। পাশাপাশি এই যুদ্ধ ইউরোপের নিরাপত্তা, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ওপর বিরাট প্রভাব ফেলছে। উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধ করতে সৈন্য পাঠিয়েছে এবং যুদ্ধের ফলাফল ইউরোপে চীনের প্রভাব বিস্তারে প্রভাব ফেলবে, বিশেষত রাশিয়ার মতো তার আধা অনুগত অংশীদারের মাধ্যমে। কিন্তু তবু এটিকে বিশ্বযুদ্ধ বলা যায় না। সামরিক অভিযান সীমাবদ্ধ রয়েছে ইউক্রেন ও রাশিয়ার ভেতরেই। বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ নেই। ফলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলাফল পুরো ব্যবস্থাকে আমূল বদলে দেবে, এমনও নয়।

এই যুদ্ধ এখনো আঞ্চলিক এবং এ ক্ষেত্রে এটি ১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয়ান যুদ্ধের সঙ্গে তুলনীয়। কোরিয়ায় অবশ্য তখনকার দুই পরাশক্তির একটি, যুক্তরাষ্ট্র, সরাসরি প্রধান পক্ষ হিসেবে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির সঙ্গে সরাসরি লড়াই করলেও কোরিয়ান যুদ্ধ বিশ্বব্যবস্থাকে আমূল বদলে দেয়নি।

ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বর্তমান সংঘাতও আঞ্চলিক যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা, জ্বালানির দামে নাটকীয় প্রভাব, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বিঘ্ন এবং ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে বহু দেশের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও এটি আঞ্চলিকই রয়ে গেছে। বরং প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ইরানের ক্রমবর্ধমান ড্রোন ব্যবহারের ঘটনা দেখায়, আধুনিক সংকট কত সহজে সংঘাতের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোকে জড়িয়ে ফেলতে পারে।

তবু এই সংঘাত একটি আঞ্চলিক সংকটই। রাশিয়ার ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে এর সরাসরি সংযোগ নেই, যদিও খবর রয়েছে যে রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে এবং ইউক্রেনে হামলার জন্য রাশিয়া ইরানি শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করছে। একইভাবে চীনও এই যুদ্ধে বড় কোনো ভূমিকা রাখছে না, যদিও ইরানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে, অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সক্রিয় কূটনীতি চালায়। এই সংঘাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা বেইজিংয়ের স্বার্থে নয়। আর চাইলেও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ করার মতো সামরিক ঘাঁটি বা শক্তি প্রক্ষেপণের সক্ষমতা তাদের নেই।

দ্বিমেরু আন্তর্জাতিক শক্তি কাঠামো, যেমন আজকের যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক বা শীতল যুদ্ধের সময়ের যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত প্রতিদ্বন্দ্বিতা, সাধারণত তিন বা ততোধিক পরাশক্তির বহু মেরু ব্যবস্থার তুলনায় বেশি স্থিতিশীল এবং বড় যুদ্ধের ঝুঁকি কম। এর সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্রের অস্তিত্ব বড় শক্তিগুলোর মধ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের সম্ভাবনাকে আরও কমিয়ে দিয়েছে।

বর্তমানে দুই পরাশক্তিকে জড়িয়ে বড় যুদ্ধের সবচেয়ে সম্ভাব্য দৃশ্যপট হলো তাইওয়ান দখলের লক্ষ্যে চীনের পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘর্ষ। তবে এই সংঘাত সীমিত যুদ্ধ হিসেবেও থেকে যেতে পারে, যদি বেইজিং ও ওয়াশিংটন উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি সামলাতে পারে। যুদ্ধটি সীমিত থাকতে পারে যদি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সীমা অতিক্রম না করে এবং লড়াই পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকে (যদিও সীমিত পারমাণবিক যুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে)।

কিন্তু চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে সীমিত যুদ্ধের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে, এই বিষয়টিই বড় সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করে। কারণ, উল্লম্ব ও অনুভূমিক উভয় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকে। ইউরোপীয় দেশগুলোও যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে এবং এশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হলে রাশিয়া ইউরোপে পশ্চিমা শক্তির সংকল্প পরীক্ষা করার সুযোগ নিতে পারে।

আধুনিক বিশ্বের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত পারস্পরিক নির্ভরতার কারণে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর, ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যের কোনো আঞ্চলিক যুদ্ধও ভৌগোলিক সীমা ছাড়িয়ে বহু দেশের অর্থনীতি ও নাগরিকদের ওপর বিশাল প্রভাব ফেলবে। আরেকটি বিশ্বযুদ্ধ হলে তার পরিণতি কেমন হবে, তা কল্পনাও করা কঠিন।

যেকোনো যুদ্ধ এড়িয়ে চলাই শ্রেয়, আর বৃহত্তর অগ্নিগর্ভ সংঘাতে রূপ নেওয়া ঠেকানো আরও জরুরি। ক্রমেই বিশৃঙ্খল হয়ে ওঠা বিশ্বে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণকে পরিষ্কার রাখতে এবং মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে আমাদের উচিত কথার লড়াইও অযথা বাড়িয়ে না তোলা।

ফরেন পলিসি থেকে অনুবাদ করেছেন আব্দুর রহমান

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ক্লাস্টার ওয়ারহেড, চ্যালেঞ্জের মুখে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

ইলেকট্রনিক যুদ্ধ: ইরানকে যেভাবে সহায়তা করছে চীন-রাশিয়া

ইরান যুদ্ধ কি ভারতের অর্থনৈতিক উত্থান থামিয়ে দেবে

চারদিকে শত্রু নিয়ে ট্রাম্পের যুদ্ধে কত দিন টিকবে ইরান

মোজতবা খামেনির উত্থান: রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব নাকি কঠোর শাসনের ধারাবাহিকতা

ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের পতনে জন্ম নিতে পারে ‘আইআরজিস্তান’

যেসব লক্ষ্য পূরণ হলে ইরান যুদ্ধ থামাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

যেভাবে ‘আহত ইরান’ হয়ে উঠতে পারে আরও ভয়াবহ

তেল সরবরাহে ইরানি বাধা যেভাবে ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে

যে ফাঁদ এড়িয়ে হাজার বছর টিকে ছিল বাইজেনটাইন সাম্রাজ্য, ইরানে সেই ফাঁদে ট্রাম্প