হোম > নারী

পরমাণুবিজ্ঞানের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মারিয়া

ফিচার ডেস্ক

মারিয়া গোয়েপার্ট মায়ার। ছবি: সংগৃহীত

বিশ শতকের সর্বশেষ নোবেল বিজয়ী মারিয়া গোয়েপার্ট মায়ার। তিনি জার্মান বংশোদ্ভূত এক আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী। নোবেলজয়ী এই পদার্থবিজ্ঞানীর গবেষণার মূল ভিত্তি ছিল পরমাণু।

১৯৩০ সালে মারিয়ার পিএইচডি গবেষণার বিষয় ছিল অণু বা পরমাণুর দুটি ভিন্ন কিংবা পৃথক কম্পাঙ্কের ফোটন শোষণ প্রক্রিয়া। তাঁর এই তত্ত্বের সম্মানে ফোটন শোষণের সম্ভাব্যতার এককের নাম রাখা হয় ‘জিএম’। ১৯৩৫ সালে তিনি ‘ডাবল বিটা ক্ষয়’ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। পরবর্তী সময়ে কার্ল হার্জফিল্ড এবং তাঁর স্বামীর অনুপ্রেরণায় তিনি রাসায়নিক পদার্থবিদ্যায় বিভিন্ন জৈব অণুর বর্ণালি নিয়ে কাজ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক বোমা তৈরির গোপন মিশন ‘ম্যানহাটান প্রজেক্ট’-এ অংশ নেন। সেখানে তাঁর মূল কাজ ছিল আলোক রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরেনিয়াম-২৩৫ আইসোটোপ থেকে প্রাকৃতিক বিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম পৃথক করা। এ ছাড়া এডওয়ার্ড টেলারের ‘সুপার বোম’ তৈরিতেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল।

১৯৫০ সালে তিনি তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার পরমাণুর ‘নিউক্লিয়ার শেল মডেল’ প্রকাশ করেন। তবে এই মডেলের মাধ্যমে পরমাণুর নিউক্লিয়াসের স্থিতিশীলতা এবং প্রোটন ও নিউট্রনের জাদুকরি সংখ্যা বা ‘ম্যাজিক নম্বর’ নির্ণয় করা

সম্ভব হয়। এই যুগান্তকারী গবেষণার জন্য ১৯৬৩ সালে তিনি পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ১৯০৬ সালের ২৮ জুন আপার সিলিসিয়ার (বর্তমান জার্মানি) কাট্টোউইটজ শহরে মারিয়ার জন্ম। তিনি ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মারা যান।

অগ্রগতি থাকলেও আছে কাঠামোগত বাধা, পিছিয়ে আছে এশিয়া

পণ্য সুরক্ষিত রাখতে আইপি লইয়ারের পরামর্শ নিন

বিশ্বকাপে যাঁর রেকর্ড ভাঙলেন মেসি

উদ্যোক্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মারা গেছেন

জেন্ডার বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের দাবি মহিলা পরিষদের

গ্রামাঞ্চলে প্রতি তিন কিশোরীর দুজনের মাসিকজনিত সমস্যা: আইসিডিডিআরবি

গৃহকর্মীদের দক্ষ কেয়ারগিভার বানাতে আধুনিক ল্যাব চালু

‘সুফিয়া কামাল ছিলেন মানুষের আশ্রয়স্থল’

আন্তর্জাতিক নারী: বিষাদ আর বীরত্বের গল্প রচিত হয়েছিল যাঁর আঙুলের ডগায়

প্রেসিডেন্টের টিকিটে ভিআইপি গ্যালারি জয়