হোম > নারী

অগ্নিকন্যা দুকড়িবালা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে, ‘তোমরা যদি দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারো, তোমাদের মেয়েরাও পারে।’ কথাটি বলেছিলেন দুকড়িবালা।

১৮৮৭ সালের ২১ জুলাই বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার নলহাটি থানার ঝাউপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দুকড়িবালা। তাঁর পিতা ছিলেন নীলমণি চট্টোপাধ্যায় এবং মা কমলকামিনী দেবী। ব্রাহ্মণী ও তিরপিতা নদী দিয়ে ঘেরা ঝাউপাড়া গ্রামে শৈশব কেটেছে দুকড়িবালার। 

স্বাধীনতাসংগ্রামীদের কাছে ‘মাসিমা’ বলে পরিচিত ছিলেন দুকড়িবালা। বোনের ছেলে নিবারণ ঘটকের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় তাঁর। দুকড়িবালা নিবারণ ঘটককে খুব স্নেহ করতেন। ভাগনে নিবারণ প্রায়ই তাঁর বাড়িতে বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসতেন। স্বদেশি বা বেআইনি বই লুকিয়ে রাখার জায়গা ছিল মাসিমার বাড়ি। ১৯১৪ সালে কলকাতায় বিপ্লবী বিপিনবিহারী গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রডা কোম্পানির কিছু জিনিস লুট হয়। এর কিছু আসে নিবারণ ঘটকের কাছে। নিবারণ ঘটকের দেওয়া সাতটি মাউজার পিস্তল ও গুলি নিজের হেফাজতে লুকিয়ে রাখেন দুকড়িবালা। পুলিশ খবর পেয়ে ১৯১৭ সালের ৮ জানুয়ারি তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় এবং দুকড়িবালাকে গ্রেপ্তার করে। কোলের শিশুসন্তানকে রেখে তাঁকে জেলে যেতে হয়। সেই সূত্রে দুকড়িবালা ছিলেন পরাধীন ভারতের প্রথম সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নারী বিপ্লবী। তিনিই প্রথম অস্ত্র আইনে দণ্ডিত নারী। ১৯৭০ সালের ২৮ এপ্রিল বার্ধক্যের কারণে মারা যান তিনি। 

শরিয়তি ফারায়েজ অনুযায়ী মেয়ের সন্তান নানার সম্পত্তির সরাসরি ওয়ারিশ হয় না

নিরাপত্তাহীন নারী ও শিশু, সংখ্যা বাড়ছে নির্যাতিতের

শেক্‌সপিয়ার বিশেষজ্ঞ ভয়ংকর এক নারী ইয়েং থিরিথ

ক্ষত আর স্বপ্ন নিয়ে নতুন ভোরের অপেক্ষায় নারীরা

বইকে বেঁচে থাকার শক্তি হিসেবে দেখাতে চান দিয়া

সৌন্দর্যশিল্পের মুকুটহীন সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথ আরডেন

বড়দিনের বিখ্যাত গানগুলোর নেপথ্যের নারীরা

উদ্যোক্তা মেলা: সংখ্যা কমলেও আশাবাদী নারী উদ্যোক্তারা

রোজের ফুটে ওঠার গল্প

আন্তর্জাতিক নারী: অন্ধকার আকাশ যাঁর ল্যাবরেটরি