অনলাইনে আপনার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে গুগল অ্যাকটিভিটি নিয়ন্ত্রণ করা খুব জরুরি। আপাতদৃষ্টে এসব সেবা আপনার বিভিন্ন কাজ সহজ করে দিলেও ব্যক্তি সুরক্ষা ও নীতির দিক থেকে বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ। ব্যবহারকারী যত বেশি তথ্য ও ডিভাইসের অ্যাকসেস দেবেন, প্ল্যাটফর্মটি ততই তথ্য ব্যবহার করবে। এতে তাঁর অ্যালগরিদম উন্নত হতে থাকে। তাই ব্যবহারকারীরা পছন্দের বা উপযোগী বস্তুর বিজ্ঞাপন গুগলে সহজে দেখতে পান। এভাবেই গুগল তাঁদের পরামর্শ দেয় এবং একই সঙ্গে কার্যকলাপের তথ্য সংগ্রহ করে। ডিজিটাল জগতের আপনার এই অ্যাকটিভিটিগুলো ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট তৈরি করে।
গুগলের ট্র্যাকিং কমানোর মাধ্যমে আপনি ম্যাপের লোকেশন কিংবা দৈনিক অ্যাকটিভিটির মতো ব্যক্তিগত তথ্যগুলো অনলাইন ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করতে পারবেন।