ওয়াইফাই স্লো হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকে। এগুলোর মধ্যে আছে পুরোনো রাউটারের ফার্মওয়্যার আপডেট না থাকা, একসঙ্গে অনেক ডিভাইসের চাপ কিংবা ২.৪ গিগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার। অনেক সময় মাইক্রোওয়েভ বা প্রতিবেশীর শক্তিশালী সিগন্যালের কারণেও ওয়াইফাইয়ের গতি ধীর হতে পারে।
সমস্যা সমাধানে যা করা দরকার
রাউটারটি সব সময় ঘরের মাঝামাঝি কোনো খোলা জায়গায় রাখা উচিত। অনেক সময় আমরা এটি দেয়াল বা আলমারির আড়ালে রাখি, যা সিগন্যাল বাধাগ্রস্ত করে। রাউটার এবং ডিভাইসের দূরত্ব যত কম হবে, সিগন্যাল তত শক্তিশালী হবে।
রাউটার ডুয়েল-ব্যান্ড সাপোর্ট করলে ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজের বদলে ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড ব্যবহার করুন। এতে ভিড় কম থাকে এবং ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি পাওয়া যায়।
একই চ্যানেলে একাধিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক থাকলে সিগন্যালে জ্যাম তৈরি হয়। আপনার রাউটারের সেটিংস থেকে ম্যানুয়ালি চ্যানেল পরিবর্তন করে নিলে প্রতিবেশীর নেটওয়ার্কের হস্তক্ষেপ এড়ানো সম্ভব।
রাউটার অনেক পুরোনো হলে আধুনিক ওয়াইফাই ৬ স্ট্যান্ডার্ডের নতুন রাউটার ব্যবহারের চিন্তা করতে পারেন।
যে ডিভাইসগুলো বর্তমানে ব্যবহার করছেন না, সেগুলোর ওয়াইফাই সংযোগ বন্ধ রাখলে মূল ডিভাইসে গতি বাড়বে।
ইন্টারনেটের গতি শুধু সার্ভিস প্রোভাইডারের ওপর নির্ভর করে না; বরং আপনার রাউটারের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সামান্য কিছু কারিগরি পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন নিরবচ্ছিন্ন উচ্চগতির ইন্টারনেট।