অনলাইনে আপনার প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর নজর রাখা এখন আর কোনো গোপন বিষয় নয়। বিশেষ করে মেটা অর্থাৎ ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্ল্যাটফর্মের বাইরেও নজরদারি করছে। অনলাইনে আপনি কী করছেন, তার একটি নিখুঁত চিত্র তৈরি করে রাখছে মেটা। আপনার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এবং অনলাইন নিরাপত্তা জোরদার করতে ‘মেটা অ্যাকটিভিটি’ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এই সেটিংসগুলো একবার করে রাখলেই শেষ নয়। মেটা প্রতিনিয়ত তাদের ফিচার আপডেট করে। তাই কয়েক মাস অন্তর আপনার প্রাইভেসি সেটিংসগুলো পরীক্ষা করা নিরাপদ।
অফ-মেটা অ্যাকটিভিটি হলো সেই সব তথ্য, যা বিভিন্ন ওয়েবসাইট, অ্যাপ এবং প্রতিষ্ঠান মেটার সঙ্গে শেয়ার করে। আপনি যখন ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের বাইরে অন্য কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করেন, তখন সেসব প্রতিষ্ঠান আপনার কর্মকাণ্ডের তথ্য মেটার কাছে পাঠিয়ে দেয়। এমনকি কোনো অ্যাপ খুললে কিংবা কোনো পণ্য কিনলেও তারা সেই তথ্য মেটার কাছে পাঠায়। ধরুন, আপনি কোনো অনলাইন শপ থেকে জুতা কিনলেন। সেই তথ্য ফেসবুকের কাছে চলে যায় এবং পরে আপনি ফেসবুকে জুতার বিজ্ঞাপন দেখতে পান। মেটা মূলত আপনার পছন্দ-অপছন্দ বুঝে আপনাকে লক্ষ্য করে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করে।
মূলত ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য একজন ব্যবহারকারীর উচিত মেটা ডেটা বন্ধ রাখা। এটি বন্ধ করলে মেটা আপনার অজান্তে তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে না। আবার যদি কখনো আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারের হাতে চলে যায়, তাহলে তারাও এই সম্পর্কে জেনে যাবে। তাই এটি বন্ধ থাকলে সেই ঝুঁকি কমে যায়। অনেক ব্যবহারকারী জানেন না যে ফেসবুক থেকে লগআউট করার পরও তাদের কার্যক্রম ট্র্যাক করা হয়। এটি বন্ধ করলে আপনার ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট কিংবা ইন্টারনেটে রেখে যাওয়া চিহ্নের ওপর আপনার নিয়ন্ত্রণ বাড়ে।
মেটা আপনাকে আপনার তথ্য নিয়ন্ত্রণ করার বেশ কিছু সুযোগ দেয়। আপনি চাইলে নির্দিষ্ট কোনো ব্র্যান্ড বা ওয়েবসাইটকে আপনার তথ্য ট্র্যাকিং থেকে বাদ দিতে পারেন। এ জন্য—
সূত্র: প্রাইভেসি বি