১৯৮২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছেন ফ্রাঙ্কো বারেসি। ক্লাব ক্যারিয়ারে খেলেছেন শুধু এসি মিলানেই। আজ ৬৬ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার। এসি মিলান সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে তা নিশ্চিত করেছে।
বারেসি গত কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে এসি মিলান নিজেদের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে লিখেছে, ‘ফ্রাঙ্কো বারেসির মৃত্যুতে এসি মিলান আজ শোকে স্তব্ধ।তাঁর আদর্শ ও সততা চিরকাল ক্লাবের ডিএনএতে অম্লান হয়ে থাকবে। ঠিক তাঁর ৬ নম্বর জার্সির মতো। এই কঠিন সময়ে ফ্রাঙ্কো বারেসির পরিবারের প্রতি এসি মিলানের সমবেদনা জানাই। এই শোক প্রতিটি রোসোনেরি সমর্থকেরও। কারণ, তাঁরা এটাকে নিজেদেরই ক্ষতি মনে করছেন।’
১৯৮২ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত ১২ বছরে ইতালির হয়ে খেলেছেন ৮১ ম্যাচ। করেছেন ১ গোল। অভিষেকের বছরেই জিতেছেন বিশ্বকাপের শিরোপা। ক্লাব ফুটবলে অভিষেক হয়েছে আরও আগে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত এসি মিলানের হয়ে ৭১৭ ম্যাচ খেলে করেন ৩৩ গোল। অ্যাসিস্ট করেন ২৪ গোলে। ক্লাব ফুটবলে জিতেছেন ২০ শিরোপা। যার মধ্যে ছয়বার সিরি ‘আ’ চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন তিনটি। আগে যেটার নাম ছিল ইউরোপিয়ান কাপ, ১৯৯২ সালে সেটার নাম হয়ে যায় চ্যাম্পিয়নস লিগ।
ফুটবল প্রশাসনেও কাজ করেছেন বারেসি। ২০০২ সালের জুনে ফুলহামের ফুটবল ডিরেক্টর নিযুক্ত হয়েছেন তিনি। ২০০৬ সালে মিলানের প্রিমাভেরা অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ নিযুক্ত হয়েছিলেন। ক্লাবটির মূল দলে কোচের দায়িত্বে ছিলেন ২০০২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত।
ব্যক্তিগত পুরস্কারেও বারেসির ক্যাবিনেট পরিপূর্ণ। ইউরোপীয় ফুটবলে দলবদলে বিশেষজ্ঞ ফ্যাব্রিৎসিও রোমানোর চোখে বারেসি এসি মিলান এবং ইতালির এক অবিস্মরণীয় কিংবদন্তি। রোমানো বলেন, ‘তিনি এমন এক যুগের প্রতীক, যিনি একাধিক প্রজন্মকে প্রভাবিত করেছেন। তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা রইল।’ আজ এই কিংবদন্তি মারা গেলেন।