ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে পর্তুগাল দলে চলছে টানাপোড়েন। ক্ষণে ক্ষণে বদলানো হচ্ছে সিদ্ধান্ত। দেওয়া হয়েছিল নিষেধাজ্ঞাও। তবে নিষিদ্ধ করার পর পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ) সুর বদলেছে। তাঁকে দ্রুত আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফেরাতে চায় এফপিএফ।
এফপিএফ গতকাল জানিয়েছিল, রোনালদোর বিরুদ্ধে তারা ‘জরুরি ভিত্তিতে’ শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তদন্তপ্রক্রিয়া শুরু করেছে। ৪১ বছর বয়সী তারকাকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টা পর বদলে যায় এফপিএফের সিদ্ধান্ত। পোর্তোর নতুন স্টেডিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় এফপিএফ সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েন্সা বলেন, ‘ফেডারেশন, কোচ এবং তাঁর সব সতীর্থ একমত। আমরা রোনালদোকে ফিরে পেতে চাই। আশা করছি, নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিরতিতে সে দলে ফিরবে।’
রোনালদোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা অবশ্য তোলেনি পর্তুগাল। পোর্তোর নতুন স্টেডিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রোয়েন্সা বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী শৃঙ্খলাসংক্রান্ত তদন্ত চলবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সবকিছু মূল্যায়ন করবে স্বাধীনভাবে।’
১৯ জুলাই আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেন জেতে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের পর প্রথম ফিফা উইন্ডো ছিল ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর। এই ফিফা বিরতিতে চার ম্যাচের চারটিতে জিতে নেশনস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে পর্তুগাল। রোনালদো এই সময়ে খেলার সুযোগ পেয়েছেন এক ম্যাচ। নরওয়ের বিপক্ষে তাঁকে ৯০ মিনিট বসিয়ে রাখার পর জাতীয় দলের ক্যাম্প ত্যাগ করেন তিনি।
ডেনমার্ক ম্যাচসহ নরওয়ের বিপক্ষে পর্তুগালের ফিরতি ম্যাচেও রোনালদোর খেলা হয়নি। এই সময়ে পর্তুগিজ তারকা ফরোয়ার্ডকে নিয়ে কোচ জর্জ জেসুসকে বারবার উত্তর দিতে হয়েছে। এমনকি রোনালদোর সঙ্গে জেসুসের বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ ওঠে। এখন প্রোয়েন্সার কথা যদি সত্যি হয়, তাহলে কোনো নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছেন না রোনালদো। ১৪ নভেম্বর নেশনস লিগে ডেনমার্কের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল।