ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের একটি প্রতিনিধি দল আজ ঢাকায় এসে জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেছে। মাঠ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ঘাস, ড্রেসিংরুম, গ্যালারি ও মিডিয়া বক্স ঘুরে দেখেছে দলটি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিপক্ষে কিংবা অন্য কোনো দেশের বিপক্ষে ম্যাচে ঢাকার এই স্টেডিয়ামকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, সেটিই ছিল তাদের পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য।
বাফুফের গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল স্টেডিয়ামের পরিবেশ দেখে সন্তুষ্ট হয়েছে। তবে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি তারা।
ইকবাল বলেন, ‘তারা তাদের নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে আমাদের এটা নিতে পারে। আমাদের স্টেডিয়ামটা চাইতে পারে। অথবা আমাদের দেশের সঙ্গেও কোনো ম্যাচ খেলতে পারে তারা। তারা এই কথা বলে গেছে।’
৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। সেই ম্যাচের আগে ব্রাজিল ঢাকায় অনুশীলন করতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ইকবাল জানান, এ ধরনের কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, ‘এ রকম বিষয় না। তারা মাঠটা, তারা আমাদের বলেছেন যে মাঠটা তারা দেখে গেছেন। স্টেডিয়ামের পরিবেশ দেখে গেছে।’
ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা আজ ভারত থেকে ঢাকায় এসেছে এবং রাতেই ফিরে যাবে। ইকবাল জানান, মাঠের বাকি কাজ দুই সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা তাঁদের জানানো হয়েছে। প্রয়োজন হলে কাজ শেষ হওয়ার পর ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা আবারও স্টেডিয়াম পরিদর্শনে আসতে পারে।
পরিদর্শনের সময় ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা মাঠের ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পানি দেওয়ার পদ্ধতি ও ঘাসের অবস্থা খুঁটিয়ে দেখেছে। মাঠে কর্মরত ব্যক্তিদের সঙ্গেও কথা বলেছে তারা। এরপর ড্রেসিংরুম, গ্যালারি ও মিডিয়া বক্সও ঘুরে দেখে।
ইকবাল বলেন, ‘তারা পুরো মাঠটা ঘুরে ঘুরে দেখছে। মাঠের ড্রেনেজ সিস্টেম কি আছে, পানি কীভাবে দিচ্ছে, প্লাস হলো ঘাসগুলো দেখছে। এখানে মাঠে যারা কাজ করছে, তাদের ডেকে নিয়েও কথা বলছে যে পরবর্তী কাজটা কী।’
ব্রাজিলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাফুফে সভাপতির বৈঠকের পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে বলে জানান গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান। ইকবাল বলেন, ‘এই উইন্ডোতে আসার আগেও হয়তো তাদের চিন্তাভাবনা আছে। তাদের স্পষ্ট করে নাই আজকে। যেহেতু তাদের সঙ্গে হয়তো প্রেসিডেন্ট সাহেব বসবেন, আমাদের মাননীয় প্রেসিডেন্ট বসবেন, বসার পর আপনাদের আরও স্পষ্ট করে বলতে পারব।’