হোম > খেলা > ফুটবল

মেসির জার্সি পাওয়া নিয়ে বেনিনের দুই খেলোয়াড়ের তর্ক

ক্রীড়া ডেস্ক    

বেনিনের এক ফুটবলার যখন লিওনেল মেসির সঙ্গে সেলফি তুলতে ব্যস্ত, অন্য দিকে সতীর্থদের মধ্যে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলারের জার্সি নিয়ে কাড়াকাড়ি পড়ে গেছে। ছবি: ফেসবুক

আর্জেন্টিনা-বেনিন নয়, মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে ম্যাচটা আগে থেকেই মেসিময়। লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিদায়ী ম্যাচ দেখতে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর চোখ ছিল এই ম্যাচে। ম্যাচটা মেসি নিজের রাজকীয় পারফরম্যান্সে করে রাখলেন মেসিময়। এমনকি আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলারের জার্সি পাওয়া নিয়ে বেনিনের দুই ফুটবলারের মধ্যে দেখা গেছে রেষারেষিও।

আর্জেন্টিনা-বেনিন ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবলে ঘটে গেল বিদায়। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারের সঙ্গে বেনিনের এক ফুটবলার সেলফি তুলতে নিজের মোবাইল চালু করেছেন। তখনই বেনিনের অন্য দুই ফুটবলার তর্ক জুড়ে দিলেন। তর্কের কারণ মেসির জার্সি। বিদায়ী ম্যাচে মেসি এক বিশেষ জার্সি পরে আজ খেলেছেন।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে বিদায়ী ম্যাচে তিন স্ট্রাইপবিশিষ্ট জার্সি পরে আজ খেলেছেন মেসি। তাঁর জার্সিতে দুটি বড় উল্লম্ব আকাশি-নীল স্ট্রাইপের পাশাপাশি মাঝে একটি সাদা স্ট্রাইপ, কেন্দ্রে আর্জেন্টিনার জাতীয় পতাকার সূর্যের প্রতীক। মেসির নাম, জার্সি নম্বর ১০— সব সোনালি রঙে লেখা।

ম্যাচের আগে মেসির জার্সি নিয়ে যে কাড়াকাড়ি পড়ে যাবে, তা বেনিন গোলরক্ষক মার্সেল দাঁদজিনু সঠিক অনুমান করেছিলেন। গতকাল বেনিন গোলরক্ষক বলেছিলেন, ‘আমার দলের যেকোনো খেলোয়াড়কে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন, সবাই তাঁর (মেসি) জার্সিটি চায়। তাই তারা যদি অনেকগুলো জার্সি তৈরি করে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে একটি করে দেয়, তাহলে দারুণ হবে। কারণ, যদি মাত্র একজন খেলোয়াড়কে জার্সিটি দেওয়া হয়, সেই জার্সিটি কে পাবে, তা বলা মুশকিল।’

বিদায়ী ম্যাচে দলের তিনটি গোলেই অবদান রেখেছেন মেসি। নিকো পাস, নিকোলাস ওতামেন্দিকে দিয়ে গোল করিয়েছেন। ৭১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে করেন গোল। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। বিদায় বেলায় অনেক দীর্ঘ ভাষণ দিয়েছেন মেসি। যে আর্জেন্টিনার হয়ে দীর্ঘ ২১ বছর খেলেছেন, এত এত স্মৃতি, কথা বলতে গিয়ে যেন তাঁর কণ্ঠ ধরে এল। অনেক কষ্টে নিজের আবেগ সামলেছেন। তবে এনসো ফের্নান্দেসসহ কয়েক জন ফুটবলারের চোখে দেখা গেছে অশ্রু। এই আর্জেন্টিনাকে অনেক মিস করবেন বলে বিদায়ী ভাষণে মেসির বলা কথায় বারবার ফুটে উঠেছে।