বয়স মাত্র ২৭ বছর। ফুটবলকে দেওয়ার এখনো অনেক কিছু বাকি ছিল। কিন্তু ডাকাতদের হামলায় অল্প বয়সেই প্রাণ হারাতে হলো উগান্ডার অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবলার ডেভিড ওয়োরিকে। বাসার কাছেই নৃশংস হামলার শিকার হয়ে ওয়োরি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।
রাজধানী কাম্পালায় নিজ বাড়ির কাছে ছিনতাইকারীরা ওয়োরির কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। উগান্ডার ফুটবলার প্রতিরোধ করলে হামলাকারীরা মারাত্মকভাবে পিটিয়েছে তাঁকে। হামলার শিকার হওয়ার পর কাছাকাছি এক চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয় ওয়োরিকে। পরে তাঁকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পর গতকাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী ওয়োরি হামলার শিকার হয়েছেন মঙ্গলবার রাতে। একদল হামলাকারী উগান্ডার ফুটবলারকে পেভিং স্টোন (পাথরের ব্লক) দিয়ে আঘাত করে। পরে তাঁর কাছ থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। হামলার পর তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। ওয়োরির মৃত্যুর ঘটনায় উগান্ডাজুড়ে শোকের পাশাপাশি সহিংস অপরাধ নিয়ে নতুন করে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ওয়োরির ক্লাব এসসি ভিলা এক বিবৃতিতে শোক জানিয়েছে। উগান্ডার স্থানীয় ক্লাবটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা শুধু এক খেলোয়াড়কে হারাইনি। একজন নেতা, ভাই এবং বন্ধুকেও হারিয়েছি।’ এসসি ভিলার মুখপাত্র আসান কাসিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাড়ির কাছে পৌঁছানোর সময় সন্ত্রাসীরা ওঁৎ পেতে তাঁর (ওয়োরি) ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।’
উগান্ডা প্রিমিয়ার লিগের সর্বাধিক শিরোপাজয়ী ক্লাব স্পোর্টস ক্লাব (এসসি) ভিলার অধিনায়ক ছিলেন ওয়োরি। এসসি ভিলা সর্বোচ্চ ১৭ বার জিতেছে উগান্ডা প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা। রাইটব্যাক ও মিডফিল্ডার—উভয় জায়গাতেই তিনি খেলছেন। খেলেছেন উগান্ডা জাতীয় ফুটবল দলের হয়েও।