হোম > খেলা > ফুটবল

ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের ‘ভায়াগ্রা’ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কারণ কী

ক্রীড়া ডেস্ক    

ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

এবারের বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই তো রোমাঞ্চকর হচ্ছেই। বিশেষ করে নকআউট পর্বে কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। শুধু কি মাঠের পারফরম্যান্স! মাঠের বাইরের বিভিন্ন ঘটনা নিয়েও চলছে আলাপ-আলোচনা। যার মধ্যে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের ভায়াগ্রা ব্যবহারের কাহিনি চমকে দেওয়ার মতোই।

মেক্সিকো সিটির আসতেকা স্টেডিয়ামে পরশু বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় শুরু হবে মেক্সিকো-ইংল্যান্ড শেষ ষোলোর ম্যাচ। নকআউট পর্বের ম্যাচ সামনে রেখে যখন দুটি দল প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’ একটি চমকপ্রদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গতকাল সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, আজতেকায় হতে যাওয়া শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে উচ্চতার প্রভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

মেক্সিকোর রাজধানী শহর মেক্সিকো সিটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭৩৫০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এত উচ্চতায় বাতাসে অক্সিজেনের ঘনত্ব কম থাকায় শরীরে অক্সিজেন গ্রহণের পরিমাণ হ্রাস পায়। বিশেষ করে, যেসব দল এ ধরনের উচ্চতায় খেলার অভ্যস্ত নয়, তাদের উচ্চস্থানে খেলার ফলে সহ্য শক্তি, গতি এবং সব মিলিয়ে শরীরের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

ইংল্যান্ড দলের মেডিকেল স্টাফ উচ্চভূমির প্রভাব কমাতে বিভিন্ন পদ্ধতি বিবেচনা করেছেন। যার মধ্যে বিকল্প হিসেবে ভায়াগ্রা ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। এই ওষুধটি রক্তনালিকে প্রসারিত করে। তাতে করে রক্তসঞ্চালন বাড়তে পারে এবং উচ্চতায় কম অক্সিজেনজনিত শারীরবৃত্তীয় সমস্যার প্রভাব কমাতে সহায়তা করতে পারে।

বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির (ওয়াডা) নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকায় নেই ভায়াগ্রা। ক্রীড়াবিদেরা প্রতিযোগিতার সময় এবং প্রতিযোগিতার বাইরে—উভয় ক্ষেত্রেই এটি ব্যবহার করতে পারেন। যদিও ওয়াডা বহু বছর ধরে এই ওষুধটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছে, কারণ এটি রক্তনালিকে প্রসারিত করে এবং রক্তপ্রবাহ বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে যে সমুদ্রপৃষ্ঠের সমতলে বা তার কাছাকাছি উচ্চতায় এটি উল্লেখযোগ্য কোনো কর্মক্ষমতা-বর্ধক সুবিধা প্রদান করে না।

মেক্সিকো, ইংল্যান্ড দুই দলই এখন পর্যন্ত অপরাজিত। যার মধ্যে ইংল্যান্ড গ্রুপ পর্বে ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে। শেষ বত্রিশে ডি আর কঙ্গোর বিপক্ষে ২-১ গোলে ইংল্যান্ড জিতলেও হ্যারি কেইন গোল দুটি করেছিলেন শেষ ভাগে এসে। এদিকে স্বাগতিক মেক্সিকো এখন পর্যন্ত ক্লিনশিট ধরে রেখেছে। ৪ ম্যাচে ৮ গোল দিলেও কোনো গোল হজম করেনি। এমনকি শেষ বত্রিশের ম্যাচটাও মেক্সিকো খেলেছে আসতেকাতেই। ১ জুলাই ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল মেক্সিকো।