হোম > খেলা > ফুটবল

৩৪ হাজার কোটি টাকা দামের রিয়ালই বিশ্বের সবচেয়ে দামি

ক্রীড়া ডেস্ক    

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। ছবি: সংগৃহীত

সবশেষ দুই মৌসুমে মেজর কোনো শিরোপা জেতেনি রিয়াল মাদ্রিদ। কোচও পরিবর্তন হয়েছে বারবার। জাবি আলোনসো, আলভেরো আরবেলোয়ার পর জোসে মরিনিওর কাঁধে এখন লস ব্লাঙ্কোসদের দায়িত্ব। এমন অবস্থার মধ্যেও বিশ্বের সবচেয়ে দামি ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ।

আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড মূল্যায়ন সংস্থা ‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স’-এর ২০২৬ সালের ক্লাবগুলোর অবস্থা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গতকাল হালনাগাদের পর জানা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে দামি রিয়াল মাদ্রিদের ব্র্যান্ড ভ্যালু ২৪০ কোটি ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৩৪৩৭৮ কোটি টাকা। এক বছরে বেড়েছে ২৫ শতাংশ। শিরোপা না জিতেও ক্লাবের নামের ওপর ভিত্তি করেই শীর্ষে রিয়াল।

রিয়াল মাদ্রিদের পরই দুইয়ে তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা। বার্সার মূল্য ২০০ কোটি ইউরো (২৮৬৪৮ কোটি টাকা)। তাদের এক বছরে আয় বেড়েছে ১৫ শতাংশ। টানা দুইবার লা লিগার পাশাপাশি দুইটি স্প্যানিশ সুপার কাপও জিতেছে কাতালানরা। এ কারণেই তারা দুইয়ে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।

ব্র্যান্ড ফাইন্যান্সের প্রতিবেদনে চমকের নাম আর্সেনাল। পাঁচ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছে তিনে। দীর্ঘ ২২ বছর পর ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জয়ের স্বাদ ও চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠা—২০২৫-২৬ মৌসুমে এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই তাদের ওপরে তুলেছে। ২৮ শতাংশ বেড়ে গানারদের ব্র্যান্ড ভ্যালু এখন ১৫০ কোটি ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ২১৪৮৬ কোটি টাকা।

দুই ধাপ উঠে চার নম্বরে উঠে এসেছে বায়ার্ন মিউনিখ। ২১ শতাংশ বেড়ে তাদেরও ব্র্যান্ড ভ্যালু ১৫০ কোটি ইউরো (২১৪৮৬ কোটি টাকা)। সম্প্রচার, বাণিজ্যিক আয় ও ম্যাচ ডে আয় থেকেই অনেক আয় হয়েছে ক্লাবটির। পঞ্চম স্থানে থাকা প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়েরও ব্র্যান্ড ভ্যালু ১৫০ কোটি ইউরো। তারা আগেও পাঁচ নম্বরে ছিল। টানা দুইবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলেও বিভিন্ন কারণে তাদের আয় বাড়েনি।

‘ব্র্যান্ড ফাইন্যান্সে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বের শীর্ষ ৫০ ক্লাবের সম্মিলিত ব্র্যান্ড মূল্য এখন ২৩৯০ কোটি ইউরো। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। র‍্যাঙ্কিংয়ে গত ১৫ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। শীর্ষ ১০টি মূল্যবান ক্লাবের সম্মিলিত ব্র্যান্ড মূল্য ১৪৯০ কোটি ইউরো (২ লাখ ১৩ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা)। যা সামগ্রিক দামের প্রায় ৬০ শতাংশ (৫৮.১৬ শতাংশ)।

রিয়ালের সাম্প্রতিক মাঠের পারফরম্যান্স তেমন একটা আশানুরূপ নয়। তবে লস ব্লাঙ্কোসদের ব্র্যান্ড মূল্য বেড়ে যাওয়ায় বড় অবদান রেখেছে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের পুনর্নির্মাণ। পাশাপাশি ম্যাচ-ডে টিকিট, আতিথেয়তা, জাদুঘর ভ্রমণ এবং পর্যটক থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আয়ই রিয়ালের ব্র্যান্ড ভ্যালু অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কিলিয়ান এমবাপ্পে, জুড বেলিংহামের মতো তারকারা তো আছেনই।