রোমানিয়া জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে গত সপ্তাহেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন মিরচা লুচেস্কু। এক সপ্তাহ পর তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। মৃত্যুর সময় রোমানিয়ার এই ফুটবল কিংবদন্তির বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বুখারেস্টের এক হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন রোমানিয়া ফুটবলের কিংবদন্তি লুচেস্কু। রোমানিয়ান ফুটবল ফেডারেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক হওয়ায় গত শুক্রবার তাঁর হাসপাতাল ছাড়ার কথা ছিল। দুর্ভাগ্যবশত সেদিনই তিনি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়েছিলেন।
লুচেস্কুর মৃত্যুতে ফুটবল অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে লিখেছে, ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে মিরচা লুচেস্কু ৮০ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন তাঁকে ফুটবল জগতের অন্যতম প্রকৃত মৌলিক ব্যক্তিত্ব বলে অভিহিত করেছেন। বিরল মেধা, অসাধারণ মর্যাদা এবং আবেগের অধিকারী ছিলেন তিনি।’
১০ দিন আগে স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন লুচেস্কু। তৎক্ষণাৎ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘রোমানিয়ার সফলতম কোচ ও খেলোয়াড়দের একজন তিনি। তাঁর অধীনেই ১৯৮৪ সালে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে রোমানিয়া।’
রোমানিয়ার হয়ে ৬৫ ম্যাচে ১০ গোল করেন লুচেস্কু। ১৯৭০ বিশ্বকাপে রোমানিয়া দলের অধিনায়ক ছিলেন। ইতালি, তুরস্ক ও ইউক্রেনের বিভিন্ন ক্লাবের কোচ হিসেবে ৩০টিরও বেশি শিরোপা জেতেন তিনি।