নবাগত উজবেকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে কলম্বিয়া। ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ, চাপ এবং অভিজ্ঞতার পার্থক্য কাজে লাগিয়ে ৩-১ গোলের জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। মেক্সিকো স্টেডিয়ামে কলম্বিয়া এগিয়ে যাওয়ার পর সমতায় ফেরে উজবেকিস্তান। এরপর আরও দুই গোল হজম করে উজবেকরা।
প্রথমার্ধে দারুণ এক গোলে দলকে এগিয়ে দেন দানিয়েল মুনিওস। মাঝমাঠ থেকে লুইস দিয়াজের নিখুঁত চিপ পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। বল মাটিতে পড়ার আগেই আলতো টোকায় গোলকিপারকে পরাস্ত করেন এই ডিফেন্ডার। মুনিওসের নান্দনিক ফিনিশিংয়ে ১-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায় কলম্বিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে নামা উজবেকিস্তান। ৬০ মিনিটে দলীয় আক্রমণে বক্সে ঢুকে শট নেন এল্দর শোমুরোদভ। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরলে সুযোগ কাজে লাগিয়ে হেডে গোল করেন আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ। ১-১ সমতা ফেরে উজবেকিস্তান।
সমতা বেশিক্ষণ ধলে রাখতে পারেনি উজবেকিস্তান। ৬৫ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। গুস্তাভো পুয়ের্তার পাসে ডি-বক্সে বল পান লুইস দিয়াজ। শক্তিশালী ডান পায়ের শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-১ করেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে এটা বায়ার্ন মিউনিখ তারকার ২৩তম গোল।
শেষ দিকে উজবেকিস্তান আক্রমণ বাড়ালেও অভিজ্ঞ কলম্বিয়া রক্ষণ সামলে নেয়। ৮৬ মিনিটে জেফারসন লেরমার শট পোস্টে লাগে এবং এক মিনিট পর দাভিনসন সানচেজের প্রচেষ্টা যায় বাইরে। যোগ করা সময়ে সমতা ফেরানোর একাধিক সুযোগ পেয়েও ব্যর্থ হয় উজবেকিস্তান। ৯০ মিনিটে আকমল মোহগোভয়ের শট যায় গোলবারের ওপর দিয়ে। যোগ করা সময়ে সুযোগ পেলেও জটলার মধ্যে থেকে গোল আদায় করতে পারেনি তারা।
উল্টো ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে গোল হজম করে উজবেকিস্তান। কুচো হার্নান্দেজের দারুণ ক্রস থেকে হেডে গোল করেন হামিন্তন কাম্পাজ। ম্যাচজুড়ে ৬১ শতাংশ বল দখলে রেখে আধিপত্য দেখায় ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ১৩ নম্বরে থাকা কলম্বিয়া। ১৫টি শট নিয়ে ৪টি লক্ষ্যে রাখে লাতিন আমেরিকার দলটি। বিপরীতে ৫০ নম্বর র্যাঙ্কিংয়ের উজবেকিস্তান ৮টি শটের মধ্যে মাত্র ২টি লক্ষ্যে রাখতে পারে।