জেরার্দ পিকে এ শাকিরার সাবেক বিলাসবহুল বাড়ি কিনে নিলেন লামিনে ইয়ামাল। ১ কোটি ইউরোর বেশি মূল্যের এই বাড়িটি বার্সেলোনার অন্যতম অভিজাত আবাসিক এলাকা এসপ্লুগেস দে ইয়োব্রেগাতের সিউদাদ দিয়াগোনাল কমপ্লেক্সে অবস্থিত।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্ত-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাড়িটি কিনতে ইয়ামালের প্রায় তিন মাস সময় লেগেছে। পুরো প্রক্রিয়াটি আইনজীবীদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাড়িটির সাবেক মালিক শাকিরা ও পিকে এতে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না।
মাত্র ১৮ বছর বয়সেই বাড়িটি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেন ইয়ামাল। বর্তমানে ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বসবাস করছেন বার্সেলোনার অন্যতম পরিচিত এই বাড়িতে।
২০১২ সালে স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলারের নকশায় নির্মিত বাড়িটির আয়তন ৩ হাজার ৮০০ বর্গমিটারের বেশি। তিনটি তলা ও দুটি ভূগর্ভস্থ তলা থাকা এই বাড়িতে রয়েছে আধুনিক জীবনযাপনের নানা সুবিধা।
বাড়িটির বাইরে রয়েছে জলপ্রপাতসহ একটি সুইমিংপুল। পাশাপাশি আছে ইনডোর সুইমিংপুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা হল, ওয়াইন সেলার, রেকর্ডিং স্টুডিও এবং ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ। উঁচু অবস্থানে হওয়ায় বাড়িটি থেকে বার্সেলোনা শহর ও ভূমধ্যসাগরের দৃশ্যও দেখা যায়।
শাকিরার সাজসজ্জায় থাকা বাড়িটির আধুনিক ও উজ্জ্বল বৈশিষ্ট্যগুলো ইয়ামালও ধরে রেখেছেন। তবে নিজের ছোঁয়া দিতে ক্যারিয়ারে অর্জন করা ট্রফি, পুরস্কার ও বিভিন্ন স্মারক দিয়ে বাড়িটি সাজিয়েছেন তিনি। আগের বাড়ির মতো খোলামেলা ও আরামদায়ক পরিবেশ বজায় রাখতে আসবাবপত্রেও পরিবর্তন এনেছেন।
সিউদাদ দিয়াগোনাল কমপ্লেক্সে মোট চারটি আলাদা বাড়ি রয়েছে। এর একটি পিকের বাবা-মায়ের, আরেকটি শাকিরার বাবা-মায়ের। তৃতীয় ও মূল বাড়িটিই এখন ইয়ামালের। চতুর্থ বাড়িটি এখনো সংস্কারের অপেক্ষায়।
২০২৩ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে বার্সেলোনার মূল দলে অভিষেক হয় ইয়ামালের। কয়েক মাস পর স্পেন জাতীয় দলের জার্সিও গায়ে জড়ান। স্প্যানিশদের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে গোল করার রেকর্ড তাঁর দখলে। দলটির ২০২৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ইয়ামাল।
এরপর ইয়ামালের ক্যারিয়ারে যোগ হয়েছে তিনটি লিগ শিরোপা, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও বিশ্বকাপ। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ক্লাব ও জাতীয় দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন তিনি। এবার বার্সেলোনায় তার ঠিকানাও হলো শহরের সবচেয়ে আলোচিত বাড়িগুলোর একটি।