হোম > খেলা > ফুটবল

আর্জেন্টাইন ফুটবলারের ‘আক্রমণের’ শিকার হওয়া ফুটবলারকে টমেটো দিয়ে বরণ, কাহিনি কী

ক্রীড়া ডেস্ক    

টমেটো দিয়ে বরণ করা হয়েছে ফাবিয়ান রুইস ও গাভিকে। ছবি: সংগৃহীত

নিউজার্সিতে ১৯ জুলাই আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল শেষে কী হয়েছে, সেটা তো সকলেরই জানা। আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লেয়ান্দ্রো পারেদেস হারের পর এরিক গার্সিয়া ও গাভিকে গলা চেপে ধরেছেন। তা নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার গাভি দেশে ফেরার পর বরণ করা হয়েছে টমেটো দিয়ে।

সাধারণত বিশ্বকাপ জেতার পর ছাদখোলা বাসে দেশের বিভিন্ন শহর ঘোরানো হয়। রাজকীয় সংবর্ধনার পাশাপাশি ফুলের তোড়া, গাড়ির চাবিসহ দেওয়া হয় আরও অনেক কিছুই। কিন্তু গাভি ও ফাবিয়ান রুইসকে যা দেওয়া হয়েছে, তা রীতিমতো অবাক করার মতোই। সিটি কাউন্সিলের আয়োজনে দুই ফুটবলারকে প্রথমে ওজন মাপার যন্ত্রে দাঁড় করানো হয়েছে। তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সমপরিমাণ ওজনের টমেটো।

শিরোপা জয়ের পর দিন (২০ জুলাই) দেশে ফিরেছে স্পেন ফুটবল দল। বিমানবন্দরে নেমেই স্পেনের ফুটবলার ও কোচেরা শিরোপা নিয়ে ছবি তুলেছেন। বাংলাদেশ সময় তখন সন্ধ্যা হলেও স্থানীয় সময় তখন বিকেল। পরবর্তীতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের ফুটবলারদের ছাদখোলা বাসে করে ঘোরানো হয় মাদ্রিদের বিভিন্ন এলাকা। এ সময় লাখো স্প্যানিশ সমর্থক ছিলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান হয়েছে বাংলাদেশ সময় ২০ জুলাই মধ্যরাতে।

ছাদখোলা বাসে সংবর্ধন শেষ হওয়ার পর স্পেনের ফুটবলারদের স্ব স্ব এলাকাতেও দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা। যেখানে আন্দালুসিয়ার ছোট্ট এলাকা লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা এলাকায় দুই বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার গাভি ও রুইজকে বরণ করা হয়েছে টমেটো দিয়ে। ইএসপিএনের গত রাতের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গাভি-রুইসকে সম্মিলিতভাবে দেওয়া হয়েছে ১৫২ কেজি ওজনের টমেটো। যেখানে রুইসের ওজন ৮৪ কেজি আর গাভির ওজন ৬৮ কেজি।

স্পেনের সাবেক ফরোয়ার্ড জেসুস নাভাসকেও টমেটো দিয়ে বরণ করা হয়েছে। তিনি ২০১০ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। ২০১২ ও ২০২৪ সালে দুটি ইউরোও জিতেছিলেন নাভাস। রুইস ২০২৪ ইউরো জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ৩৫ হাজার জনসংখ্যার লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কা এখন পেল তিন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার। টমেটোকে এই এলাকার গর্বের প্রতীক মনে করা হয় বলে তাঁদের (গাভি, রুইস, নাভাস) টমেটো দিয়ে বরণ করা হয়েছে।

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে স্প্যানিশরা জিতেছিল ১-০ গোলেই। সেই ফাইনালও গড়িয়েছিল অতিরিক্ত সময়ে। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ পাঁচবার শিরোপা জিতেছে ব্রাজিল। ইতালি ও জার্মানির রয়েছে চারটি করে শিরোপ। তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ের সমান দুটি শিরোপা জিতেছে স্পেন। আর ইংল্যান্ডের একমাত্র বিশ্বকাপ এসেছে ১৯৬৬ সালে।

মেসিকে ফিফা সেরা না মানলেও এই সংগঠনের কাছে সেরা, কিন্তু কেন

ফুটবলপ্রধানের যুক্তরাষ্ট্রে আটকের খবর মিথ্যা দাবি করছে আর্জেন্টিনা

স্পেনের সঙ্গে ‘চ্যাম্পিয়ন’ হয়েছে সিটিও

মেসিবিহীন মায়ামির রুদ্ধশ্বাস জয়, সুয়ারেজের জোড়া গোল

এবার গার্দিওলাকেও চাচ্ছে ইতালি

কাসেমিরোকে দলে নিয়ে বড্ড বেকায়দায় মেসির মায়ামি

বিশ্বকাপের সেরা একাদশে স্পেন-ফ্রান্সের আধিপত্য, আর্জেন্টিনার কয়জন আছেন

স্পেনের ফুটবলারকে ধাক্কা দিয়ে অনুতপ্ত আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ

ফিফা সভাপতিকে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে চান ট্রাম্প

বিশ্বকাপ হাতছাড়া করে মানহানির মামলা করছে আর্জেন্টিনা