জাতীয় দলের জার্সি গায়ে এখনো মাঠে নামা হয়নি। এবারই প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তিন প্রবাসী ফুটবলার—ফারহান আলী ওয়াহিদ, জিদান ইউসুফ ও শুকি ইতফুসা। তাঁদের নিয়েই আসিয়ান কাপ খেলতে ইন্দোনেশিয়ার পথে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
২৩ সদস্যের বাংলাদেশ দলে এই তিনজনই নতুন মুখ। জাতীয় দলের হয়ে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ফারহান, জিদান ও শুকির সামনে এবারই প্রথম বড় মঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ। জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকার পর কোচ টমাস ডুলির আস্থায় তাঁরা জায়গা করে নিয়েছেন আসিয়ান কাপের চূড়ান্ত দলে।
তিনজনের মধ্যে ফারহান আলী ওয়াহিদ আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলে একজন স্বীকৃত সেন্টার ফরোয়ার্ডের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা ছিল। সেই জায়গায় ফারহানকে নতুন একটি বিকল্প হিসেবে দেখছেন কোচ ডুলি। যদিও চলমান ক্যাম্পে এখনো পাওয়া যায়নি তাঁকে। সরাসরি যোগ দেবেন ইন্দোনেশিয়ায়।
জিদান ইউসুফ রক্ষণভাগের খেলোয়াড়। অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে নজর কেড়েছেন তিনি। আর জাপান প্রবাসী শুকি ইতফুসার অন্তর্ভুক্তি আক্রমণভাগে আরও একটি বিকল্প যোগ করেছে বাংলাদেশ দলে।
তিন প্রবাসীর সঙ্গে এবারের দলে আছেন আগে থেকেই জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন প্রবাসী ফুটবলারও। হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, তারিক কাজী, জায়ান আহমেদ ও ফাহামিদুল ইসলামের সঙ্গে এবার যোগ হলো নতুন তিন নাম।
নতুনদের জায়গা করে দেওয়ার অর্থ অবশ্য দলের পুরোনো মুখদের বাদ পড়া নয়। ২৩ সদস্যের দলে আছেন অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া, তপু বর্মন, সাদ উদ্দিন, রহমত মিয়া, শেখ মোরসালিন ও রাকিব হোসেনের মতো পরিচিত মুখেরাও। গোলরক্ষক, রক্ষণ, মাঝমাঠ ও আক্রমণ—সব বিভাগ মিলিয়েই দল সাজিয়েছেন ডুলি।
২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের আসিয়ান কাপ। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এবং ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। কাল ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা।
গোলরক্ষক: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ
ডিফেন্ডার: তপু বর্মন, শাকিল আহাদ তপু, সাদ উদ্দিন, রহমত মিয়া, তারিক কাজী, জায়ান আহমেদ, জিদান ইউসুফ
মিডফিল্ডার: মনজুরুর রহমান, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, সোহেল রানা জুনিয়র, হৃদয়
ফরোয়ার্ড: শেখ মোরসালিন, রাকিব হোসেন, মিনহাজুল করিম স্বাধীন, ফাহামিদুল ইসলাম, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, ফারহান আলী ওয়াহিদ, শুকি ইতফুসা