ইউরোপসেরার মঞ্চে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট না জিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি এই দুই দলেরই। আর্সেনাল যেখানে খেলেছে ২২৩ ম্যাচ, সেখানে আতলেতিকো মাদ্রিদের অভিজ্ঞতা ১৯০ ম্যাচের। আজ রাতে সেমিফাইনালের প্রথম লেগের লড়াইয়ে যখন দল দুটি মুখোমুখি হবে, তখন মাঠের কৌশলের চেয়েও বড় হয়ে উঠবে দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘোচানোর জেদ।
চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে ঘরের মাঠ এস্তাদিও মেত্রোপলিতানোতে ইংলিশ ক্লাবগুলোর বিপক্ষে আতলেতিকোর রেকর্ড রীতিমতো দুর্ভেদ্য। এখন পর্যন্ত ঘরের মাঠে ৬ ম্যাচ খেলে একটিতেও হারেনি দিয়েগো সিমিওনের দল। যদিও লিগপর্বে আতলেতিকোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার আত্মবিশ্বাস সঙ্গী মিকেল আর্তেতার আর্সেনালের।
ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে আতলেতিকো বস দিয়েগো সিমিওনে ভাগ্যের চেয়ে পরিশ্রমের ওপরই জোর দিয়েছেন বেশি। তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন দেখা ভালো, কিন্তু বাস্তবতা হলো যা এই মর্ত্যে ঘটে। কঠোর পরিশ্রম করে সব অর্জন করতে হবে এবং আশা করতে হবে যেন ভাগ্য সহায় হয়।’
আর্সেনাল শিবিরে স্বস্তি ফিরিয়েছে বুকায়ো সাকার চোট কাটিয়ে ফেরা। ফরোয়ার্ড গাব্রিয়ের মার্তিনেলি দলের শক্তিমত্তা নিয়ে বলেন, ‘আমরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখি। লিগপর্বে আমরা তাদের বিপক্ষে জিতেছিলাম, তবে এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক ম্যাচ হতে যাচ্ছে।’
সিমিওনের তুরুপের তাস চলতি আসরে ৯ গোল করা হুলিয়ান আলভারেজ । দাভিদ রায়া ও উইলিয়াম সালিবাদের নিয়ে গড়া আর্সেনাল রক্ষণভাগও রয়েছে জমাট ফর্মে। প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ—দুটি শিরোপার দৌড়ে টিকে থাকা আর্সেনালের সামনে আজ কঠিন পরীক্ষা। মাদ্রিদের দুর্গ জয় করে গানারা কি ফাইনালের পথে এগিয়ে যাবে নাকি সিমিওনের ট্যাকটিকসের মারপ্যাচে স্বপ্নভঙ্গ হবে আর্তেতা বাহিনীর, তার উত্তর মিলবে মাঠের লড়াইয়ে।