রেকর্ড আর লিওনেল মেসি যেন একে অপরের পরিপূরক। বয়সকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একের পর এক কীর্তি গড়ে চলেছেন তিনি। চোখধাঁধানো গোলে মুগ্ধ করছেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। আজ আর্জেন্টাইন তারকা ফরোয়ার্ড ভেঙে দিয়েছেন ব্রাজিলের এক ফুটবলারের রেকর্ড।
বাংলাদেশ সময় আজ সকালে মায়ামির নু স্টেডিয়ামে ২৪ মিনিটে বাঁ পায়ের ফ্রি কিকে নজরকাড়া গোল করেছেন মেসি। মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) সান দিয়েগো এফসির বিপক্ষে এই গোলটি তাঁর ক্যারিয়ারের ৯৩০তম গোল। যার মধ্যে ফ্রি কিক থেকেই করেছেন ৭৫ গোল। তাতে দুই ব্রাজিলের মাঝখানে পড়ে গেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। ফ্রি কিকে সর্বোচ্চ ৭৮ গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা মার্সেলিনহো কারিওকা। আর মেসি এই তালিকায় দুইয়ে।
ফ্রি কিকে সর্বোচ্চ গোল করার দিক থেকে তিনে ব্রাজিলের জাইর রোসা পিন্তো। তিনি এই পদ্ধতিতে করেছেন ৭৪ গোল। ফ্রি কিকে গোলের রেকর্ডে প্রথম সারিতে ব্রাজিলের ফুটবলারের সংখ্যাই বেশি। এই তালিকায় চার, পাঁচ ও ছয়ে থাকা রবার্তো ডিনামাইট, জুনিনিও পারনামবুকানো এবং মার্কোস আসুনকাও। ডিনামাইট, পারনামবুকানো ও আকুনকাওয়ের ফ্রি কিকে গোল ৭৩, ৭২ ও ৬৮।
ফ্রি কিকে ৬০-এর বেশি গোল করার কীর্তি রয়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, দিয়েগো ম্যারাডোনাদেরও। এই পদ্ধতিতে রোনালদো ও ম্যারানডোনার গোল ৬৪ ও ৬১। তাঁদের মাঝে অবস্থান করা ব্রাজিলের তারকা জিকোর গোল ৬২। এ ছাড়া সার্বিয়ার সিনিশা মিহাইলোভিচ ও চিলির হোর্হে আরাভেনা ফ্রি কিকে ৬৭ ও ৬৫ গোল করেছেন।
৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টিনা দল থেকে গত ৩১ আগস্ট অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন মেসি। তবে যে ভক্ত-সমর্থকদের দীর্ঘ ২১ বছর মনে রাখার মতো অসংখ্য মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি, সেটা তো চাইলেও ভুলে থাকা সম্ভব নয়। ৬ অক্টোবর মনুমেন্তালে বেনিনের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে মেসি আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো খেলতে নামবেন। এদিকে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তাঁর চুক্তি ২০২৮ মৌসুমের শেষ পর্যন্ত রয়েছে। রেকর্ডটি নিজের করে নেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ থাকছে মেসির কাছে।
মায়ামির নু স্টেডিয়ামে আজ ২৪ মিনিটে জাদুকরী ফ্রি কিকে মেসি তাঁর ক্যারিয়ারের ৯৩০তম গোল করেন। তবে তাঁর এই গোলও জেতাতে পারেনি ইন্টার মায়ামিতে। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ইন্টার মায়ামি-সান দিয়েগো ২-২ গোলে ড্র হয়েছে। মায়ামির অপর গোল করেন লুইস সুয়ারেজ। সান দিয়েগোর দুটি গোলই করেন অ্যান্ডার্স ডেয়ার।
২৬ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় তিনে মায়ামি। নিউ ইংল্যান্ডেরও ২৬ ম্যাচে ৪৬ পয়েন্ট। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে তারা দুইয়ে। সবার ওপরে থাকা ন্যাশভিলের পয়েন্ট ৫৭। তারাও খেলেছে ২৬ ম্যাচ।