নেইমারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় বাধার নাম চোট। এ জন্য লম্বা সময় মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছে এই ফরোয়ার্ডকে। আবারও চোটে পড়েছেন তিনি। ডান উরুর পেশিতে চোট পাওয়ায় চার থেকে আট সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে নেইমারকে।
গত বুধবার কোপা দো ব্রাজিলের ম্যাচে পালমেইরাসের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে ডান উরুর রেক্টাস ফেমোরিস পেশিতে ব্যথা অনুভব করেন নেইমার। গোলশূন্য ড্র হওয়া ম্যাচটির বিরতিতে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর শুক্রবার সিটি রেই পেলেতে তাঁর মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়।
পরীক্ষায় নেইমারের ডান উরুর সামনের রেক্টাস ফেমোরিস পেশিতে টাইপ ২বি ধরনের চোট ধরা পড়ে। এক বিবৃতিতে সান্তোস জানিয়েছে, ‘অ্যাথলেট নেইমার জুনিয়রের আজ (৪ সেপ্টেম্বর) পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, গত বুধবারের ম্যাচে ডান উরুর সামনের রেক্টাস ফেমোরিস পেশিতে টাইপ ২বি ধরনের চোট পেয়েছেন তিনি।’
গ্লোবোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ধরনের চোট থেকে সেরে উঠতে চার থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। ফলে রোববার ব্রাজিলিয়ান লিগে ইন্টারন্যাসিওনালের বিপক্ষে সান্তোসের ম্যাচে খেলতে পারবেন না নেইমার। চোটের ধরন বিবেচনায় দ্রুত ফেরার ঝুঁকি না নিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হওয়ার পথেই এগোবেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের শুরুতে মাঠে ফিরতে পারেন এই ফরোয়ার্ড।
গত বছরের জানুয়ারিতে সান্তোসে ফেরার পরও বারবার চোটের কারণে ভুগতে হয়েছে নেইমারকে। এ সময়ে বাঁ উরু, একই ডান রেক্টাস ফেমোরিস, বাঁ হাঁটুর মেনিস্কাস ও ডান কাফে চোট পেয়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের আগে ও চলাকালীনও ডান কাফের চোটে ভুগতে হয়েছিল তাঁকে। প্রতিবারই ফেরার ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় লেগেছে নেইমারের।
চলতি মৌসুমে সান্তোসের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৪ ম্যাচে ৮ গোল করেছেন নেইমার। এ ছাড়া সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৮ গোল।
নেইমারের সঙ্গে পালমেইরাসের ম্যাচে চোট পেয়েছেন সান্তোসের আরও দুই খেলোয়াড়। ডান গোড়ালিতে চোট পাওয়ায় সেন্টার-ব্যাক লুকাস ভেরিসিমো এবং বাইসেপস ফেমোরিসের চোটে ফরোয়ার্ড আলভারো বারেয়ালও দলের বাইরে থাকছেন।