হোম > খেলা > ফুটবল

কেন অঝোরে কাঁদলেন রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক    

আল ইত্তিফাকের বিপক্ষে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৪৫ মিনিট খেলার পর তাঁকে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর চোখে পানি তো নতুন কিছু নয়। হারলেই কেবল তিনি কাঁদেন না। কখনো কখনো খুশির মুহূর্তেও তাঁর দুই চোখ বেয়ে ঝরতে থাকে পানি। আরও একবার তাঁর অঝোরে কান্নার ঘটনা ভাইরাল।

রোনালদোর এই কান্নার ঘটনা গত ২৫ আগস্ট সৌদি প্রো লিগের আল ইত্তিফাক-আল নাসর ম্যাচের শেষে ঘটেছে। ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা আল নাসর ৩-২ গোলে জয়ের পর পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। সৌদি আরবের সাংবাদিক খালিদ আল-শানিফ এটা প্রকাশ্যে এনেছেন। তাঁর দাবি, জয়ের পর রোনালদো ড্রেসিংরুমে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছেন।

দাম্মামের প্রিন্স মোহাম্মদ বিন ফাহাদ স্টেডিয়ামে আল ইত্তিফাকের বিপক্ষে আল নাসর ১২ মিনিটে পরিণত হয় ১০ জনের দলে। ১২ মিনিটে গোলরক্ষক বেন্তো দেখেন লাল কার্ড। পরে আনহেলো গ্যাব্রিয়েলকে বদলি করে গোলরক্ষক আব্দুলরহমান আল ওতাইবিকে নামায় আল নাসর। প্রথমার্ধেই জোড়া গোল হজম করে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে আল নাসর। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর পর রোনালদোকে সরিয়ে আব্দুল্লাহ আল খাইবারিকে নামানো হয়।

৪৫ মিনিট খেলার পর কেন রোনালদোকে উঠিয়ে নেওয়া হলো, সেই ব্যাখ্যা দুই দিন পর দিয়েছেন আল নাসর কোচ আঞ্জি পোস্তেকোগলু। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে পোস্তেকোগলু বলেন, ‘রোনালদো বিশেষ অ্যাথলেট। আল ইত্তিফাকের বিপক্ষে তাকে ৪৫ মিনিট খেলানোর পরিকল্পনা ছিল। এর আগের ম্যাচে ৩০ মিনিট খেলেছিল। ধীরে ধীরে পুরো ম্যাচ খেলার মতো ফিটনেস ফিরে পাবে। পুরোপুরি ফিট না হওয়া পর্যন্ত ৪৫ মিনিট খেলাই উপযুক্ত মনে করি।’

১০ জনের আল নাসর ম্যাচটা জেতে পরশু সাদিও মানে-জোয়াও ফেলিক্সের বীরত্বে। সাদিও মানেরও দুই গোলে অবদান। ফেলিক্সও অবদান রাখেন দুই গোলে। তবে মানে করেছেন জোড়া গোল। ফেলিক্স করেন দুই অ্যাসিস্ট। যার মধ্যে ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ১ মিনিটে গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন মানে। আল নাসরের অপর গোল করেন আব্দুল্লাহ আল আমরি।

৩ ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে ২০২৬-২৭ সৌদি প্রো লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আল নাসর। আজ টুর্নামেন্টে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নামবে রোনালদোর দল। বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় রিয়াদের আল-আওয়াল পার্কে শুরু হবে আল নাসর-আল তাওউন।