হোম > খেলা > ক্রিকেট

বিসিবির আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ, বিতর্কিত নির্বাচন আজ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

তামিমের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটির অধীনে বিসিবি নির্বাচন হচ্ছে। ফাইল ছবি

‘আমি আমার অধীনে স্বচ্ছতা রেখে নির্বাচন করছি’—কদিন আগে বলেছিলেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল। আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সেই নির্বাচন। দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচন ঘিরে শুরুতে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা অনেক আগেই উবে গেছে। স্বচ্ছতা, প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবর্তে হতে যাচ্ছে আরও একটি প্রশ্নবিদ্ধ এবং বিতর্কিত নির্বাচন।

বিসিবির নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার দায়িত্ব যে অ্যাডহক কমিটির কাঁধে, ১১ সদস্যের সেই কমিটির ৭ জনই দাঁড়িয়েছেন নির্বাচনে। তাঁদের মধ্যে আছেন আবার কমিটির সভাপতি তামিমও। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি কিংবা সদস্যদের নির্বাচন করতে আইনি কোনো বাধা নেই, কিন্তু নৈতিকতার একটা ব্যাপার তো আছেই। শুধু কি নৈতিকতা! সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম এবং তাঁর সঙ্গীদের সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচন রক্ষকদের ভক্ষক হয়ে ওঠারই কথা বলে। এবারও যে তার ব্যতিক্রম হবে না, সেই আলামত তো অনেক আগে থেকে সুস্পষ্ট!

ক্যাটাগরি ১-এ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে পরিচালক হবেন ১০ জন। তাঁদের মধ্যে ৭ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। নির্বাচন হবে শুধু খুলনার দুটি ও বরিশালের একটি পদের জন্য, তা-ও হয়তো নামমাত্রই। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন বিভিন্ন সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ক্যাটাগরি ৩-এর একমাত্র পরিচালকও।

ক্যাটাগরি ২-এ ঢাকার ক্লাবগুলো থেকে প্রার্থী সংখ্যা ১৮ থেকে কমে ১৬ জন হয়েছে। এই ক্যাটাগরিতে পরিচালক হবেন ১২ জন। ব্যালটের ভোট পড়ার আগেই ‘ইলেকশন মেকানিজম’-এ এই শ্রেণিতে ৭-৮ জন প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত হয়ে গেছে।

বিভিন্ন ক্যাটাগরি থেকে যাঁদের বিসিবিতে আসা নির্বাচনের আগেই নিশ্চিত, ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে নয়, তাঁদের উঠে আসার মাধ্যম রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি। বোর্ডে ব্যাপকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘দলীয় কার্ড’ ব্যবহারের অভিযোগ এনে গত শুক্রবার এনসিপি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি নির্বাচনের প্রার্থী এবং বিভাগীয়, জেলা পর্যায়ের কাউন্সিলরসহ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট মোট ৭৫ জনের পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরা হয়।

রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনেক পদেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এতে ভোটাভুটির উত্তেজনা যেমন কমেছে, তেমনি সংকুচিত হয়েছে প্রকৃত প্রতিযোগিতার সুযোগও। নির্বাচনের অন্যতম সৌন্দর্য হলো মত ও প্রার্থীর বৈচিত্র্য। কিন্তু অধিকাংশ পদে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় আজকের নির্বাচন নিছক আনুষ্ঠানিকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাজনৈতিক, দলীয় পরিচয় নিয়ে তুমুল সমালোচনার মধ্যে তামিম গত পরশু রাতে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘আমরা যারাই নির্বাচিত হই না কেন, যখনই মিরপুর স্টেডিয়ামে ঢুকবেন, ব্যক্তিগত পরিচয় বাইরে রেখে ভেতরে আসবেন। যে মুহূর্তে আপনারা ওই আসনে বসবেন, তখন থেকে শুধু বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সেবা করবেন। ব্যক্তিগত পরিচয় কী, এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনাদের চিন্তাভাবনা কী, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।’

কাউন্সিলর মনোনয়ন নিয়েও রয়েছে আলোচনা। এটি নিয়ে হাইকোর্টে রিট পর্যন্ত হয়েছিল। বিভিন্ন জেলা ও ক্রীড়া সংগঠন থেকে কারা ভোটার হচ্ছেন, কীভাবে হচ্ছেন এবং সেই সিদ্ধান্তে কতটা স্বচ্ছতা আছে—এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। সব মিলিয়ে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে ক্ষমতার সমীকরণ রক্ষা করতে গিয়ে পুরো নির্বাচন যেন আরও বেশি বিতর্কিত, একপেশে আর প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছেন তামিমরা।

জয়ের সুুবাস পাচ্ছে ইংল্যান্ড

মুশফিক-হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে সহজে জিতল মোহামেডান

আইপিএলে ঝড় তুলে ভারতীয় দলে সূর্যবংশী

৫৪ বলে সেঞ্চুরি করে ১২ হাজারি ক্লাবে মুশফিক

সিরিজ খেলতে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়া

২ মাস আগেই বাংলাদেশ সিরিজের টিকিট ছাড়ল অস্ট্রেলিয়া

টাকা না পেয়ে ম্যাচ বর্জন ক্রিকেটারদের

পাকিস্তান সিরিজ হেরে এখন বাংলাদেশকে নিয়ে চিন্তায় অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশের দিলারার রেকর্ড

২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ