লিটন দাস কি অবসর নিচ্ছেন? অনেকে এই প্রশ্নটা শুনে অবাক হতেই পারেন। কারণ, পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেট টেস্টে ১২৬ ও ৬৯ রানের দুটি ইনিংস খেলেছেন। তাঁরও ব্যাট হাসছে নিয়মিত। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এক পডকাস্টে অবসর নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা। তবে আর যা-ই হোক, রাজনীতিতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছা তাঁর নেই।
৩১ বছর বয়সী লিটন এখন সুসময় পার করছেন। তবে পেশাদার ক্যারিয়ারে কোনো না কোনো দিন তো ফুলস্টপ দিতেই হয়। যদি অবসর নেন, তখন কি রাজনীতিতে জড়াবেন? আজ বিসিবির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রচারিত এক পডকাস্টে তাঁর কাছে এসেছে এমন প্রশ্ন। উত্তরে বাংলাদেশের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেন, ‘এটা এখনো (অবসরের) কথা চিন্তা করিনি। এখন সেই ধারণা নেই।’
সামাজিক মাধ্যমে হুট করে অবসর নেওয়া খেলোয়াড়দের কাছে নতুন কিছু নয়। আর অবসরের পর ইমরান খান, সনাথ জয়াসুরিয়া, গৌতম গম্ভীরের মতো উপমহাদেশের তারকা ক্রিকেটারদের রাজনীতিতে জড়ানোর নজির রয়েছে। উপস্থাপক জানতে চেয়েছেন, ‘যদি কালই অবসর নেন, তাহলে রাজনীতি, ব্যবসায় কি যুক্ত হতে চান?’ উত্তরে লিটন বলেন, ‘জানি না। সেই চিন্তা এখনো আসেনি। ব্যবসা আমাকে দিয়ে হবে না। ব্যবসার যে চিন্তাধারাগুলো, তা আমার মধ্যে নেই। রাজনীতি তো একেবারেই নেই।’
অবসরের পর অনেকে ঘরোয়া-আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোচিং পেশায় যুক্ত হয়ে পড়েন। প্রধান কোচ তো বটেই। অনেকে ফিল্ডিং কোচ, ব্যাটিং কোচসহ বিভিন্ন কোচিং প্যানেলে যুক্ত হয়ে থাকেন। উপস্থাপক জানতে চাইলেন, ‘ক্রিকেট ছাড়লে কি কোচিংয়ে যুক্ত হবেন?’ উত্তরে ৩১ বছর বয়সী উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেন, ‘হয়তো আমি এটা ভালো পারব। তবে কখনো এটা নিয়ে চিন্তা করিনি।’
২০১৫ থেকে শুরু করে ১১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ২৭৭ ম্যাচে ৮৮৪১ রান করেছেন। ১১ সেঞ্চুরি ও ৪৯ ফিফটি করেছেন। যার মধ্যে টেস্টে ছয়বার তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন। এই ছয় সেঞ্চুরির তিনটিই করেছেন পাকিস্তানের বিপক্ষে।