মেয়েদের এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে বাংলাদেশ ‘এ’ সঙ্গে ন্যূনতম লড়াই করতে পারল না পাকিস্তান ‘এ’ দল। তাদের ৫৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালে জায়গা করে নিল ফাহিমা খাতুনের দল।
প্রথম সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পা রেখেছে ভারত ‘এ’ দল। এর আগে ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত মেয়েদের এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের প্রথম পর্বেও তাদের প্রতিপক্ষ ছিল বাংলাদেশ। সেবার দলটিকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ভারতের মেয়েরা। এবার ভারতকে হারিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ পেল বাংলাদেশ।
বড় ব্যবধানে জিতলেও স্কোরবোর্ড ভারী করতে পারেনি বাংলাদেশ। ব্যাংককের তারথাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১১০ রানে থামে তারা। বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে এই রান টপকাতেই তালগোল পাকিয়ে ফেলে পাকিস্তান। দলীয় ৩০ রানে তাদের ইনিংসের অর্ধেক প্যাভিলিয়নে ফেরত যায়। শুরুর সে ধাক্কা সামলে জয় তো দূরে থাক, বাংলাদেশকে কোনো জবাবই দিতে পারেনি পাকিস্তান; ১৬.৪ ওভারে ৫৬ রানে অলআউট হয় তারা।
৮২ স্ট্রাইকরেটে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শাওয়াল জুলফিকার। এ ছাড়া হাফসা খালিদ ১২ ও উসরা আমির এনে দেন ১১ রান। পাকিস্তান শিবিরে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা দেন সানজিদা আক্তার মেঘলা। মাত্র ৬ রানে ৩ উইকেট নেন এই বাঁ হাতি স্পিনার। সমান রান দিয়ে ২ ব্যাটারকে ফেরান অধিনায়ক ফাহিমা। ফারিহা তৃষ্ণা, ফাতেমা জাহান ও ফারজানা ইয়াসমিন একটি করে উইকেট নেন।
টস হারা বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল ঢিমেতালে। ১০ ওভার শেষে ৪৪ রান করতেই ৩ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। ফাহিমা ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে না গেলে ১০০ রানের অনেক আগেই থামতে হতো বাংলাদেশকে। ৩২ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন অধিনায়ক। সারমিন সুলতানার ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান। শামিমা সুলতানা ১৩ ও ইসমা তানজিমের অবদান ১২ রান। পাকিস্তানের হয়ে ২৫ রানে ২ উইকেট নেন হাফসা। ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড পারফর্ম করে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন ফাহিমা।