হোম > খেলা > ক্রিকেট

মিঠুন একাই দুই শ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

১৬ রান তুলতেই ৪ উইকেট নেই! মধ্যাঞ্চলের বিপদটা ছিল এমনই। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে পাল্টা প্রতিরোধ। শুভাগত হোমের সঙ্গে লম্বা জুটি গড়েছেন। গতকালই করেছেন অসাধারণ সেঞ্চুরি। আর আজ সেই সেঞ্চুরিটা রূপ দিয়েছেন ডাবলে—মিরপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের ফাইনালে মোহাম্মদ মিঠুন এভাবেই নায়কের রূপে আবির্ভূত হলেন। 

মিঠুনের ডাবল সেঞ্চুরি আর শুভাগতর সেঞ্চুরিতে চরম বিপর্যয় কাটিয়ে মধ্যাঞ্চল ৪৩৮ রান তুলেছে। লিড ৫১ রানের। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলের সংগ্রহ ১ ২৫ রান। এখনো তারা পিছিয়ে আছে ৩২ রানে। মধ্যাঞ্চলের হয়ে মিঠুন খেলেন ২০৬ রানের ঝকঝকে এক ইনিংস। ৩০৬ বল ও ৪৪৫ মিনিট স্থায়ী তাঁর ইনিংসটি ৩ ছক্কা ও ২৭ চারে সাজানো ছিল। 

প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এর আগে ১১২ ম্যাচ খেলে ১৩টি সেঞ্চুরি করেছেন মিঠুন। সর্বোচ্চ ছিল ১৮৬ রান। ১১৩ তম ম্যাচে এসে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পেলেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ব্যাটার। এ মৌসুমের শুরুতে ব্যাটিংয়ে সময়টা অবশ্য ভালো যাচ্ছিল না মিঠুনের। জাতীয় লিগে ৬ ম্যাচে ফিফটি ছুঁতে পারেননি একবারও। সর্বোচ্চ ৪৬ রান। 

এবার বিসিএলে প্রথমবারের মতো ওপেনিংয়ে উঠে এসেছেন মিঠুন। ফাইনালে দেখা পেয়ে গেলেন প্রথম ডাবল সেঞ্চুরির। সেটিও দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। প্রথম সেঞ্চুরিতে পৌঁছান ১৫১ বলে। ১০২ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করা মিঠুন ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ২৮৭ বলে।

মোস্তাফিজকে আইপিএলে ফেরানোর বিষয়ে কোনো কথাই হয়নি: বিসিবি সভাপতি

আইসিসিকে নতুন করে চিঠিতে কী লিখেছে বিসিবি

ব্যাটে-বলে সিলেটকে জেতালেন ‘জামাই’ মঈন আলী

জাতীয় দলে খেলতে কী করতে হবে আলিসকে

টানা হারে নোয়াখালীর দর্শকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করলেন সৌম্য

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত যদি বদলাতে হয় তখন, বিসিবিকে তামিমের প্রশ্ন

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

দুই বছর পর বিপিএলে ফিরেই ওয়াসিমের ফিফটি, নোয়াখালীর ছয় হার

‘আইপিএল থেকে মোস্তাফিজের বাদ পড়া হতাশাজনক’

বিশ্বকাপের ম্যাচ পরিচালনায় আছেন দুই বাংলাদেশি