১৮২ রান করেও বাংলাদেশকে হারাতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ১২ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখে তাদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকেরা। হারের পর নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক ব্যাটার ডিন ক্লিভারের দাবি—তাদের হাত থেকে ম্যাচটা বের করে নিয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটাররা।
রান তাড়ায় প্রথম ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৭৭ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারে তাদের করতে হতো ১০৬ রান। উইকেট ব্যাটিং সহায়ক থাকলেও এই রান করা সহজ ছিল না। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়েছে তাওহীদ হৃদয়, পারভেজ হোসেন ইমন, শামীম পাটোয়ারীদের কল্যাণে। হৃদয় ৫১ এবং শামীম ৩১ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। এ ছাড়া ইমনের ব্যাট থেকে আসে ২৮ রান। এর আগে সাইফ হাসান (১৬ বলে ১৭) এবং তানজিদ হাসান তামিমের (২৫ বলে ২০) ব্যাটিংয়ে চাপের মুখেই পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে মাঝের ওভারের দারুণ ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত জয় পায় লিটন দাসের দল।
বাংলাদেশের ব্যাটিং প্রসঙ্গে ক্লিভার বলেন, ‘আমাদের বোলাররা শুরুটা ভালোই করেছিল। বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল, লাইন এবং লেন্থ ভালো রেখেছিল। তবে যেভাবে বাংলাদেশ চাপের মধ্যেও ভালো খেলল, উইকেটও এত বেশি হারায়নি। রান রেট আমাদের পক্ষে থাকলেও তারা আমাদের থেকে ম্যাচটা বের করে নিয়েছে। শেষ দিকে ব্যাটাররা নিজেদের ক্লাস দেখিয়ে দিল এবং আমরা তাদের আটকাতে পারিনি।
হৃদয় এবং শামীমের ব্যাটিং নিয়ে ক্লিভার বলেন, ‘শেষ দিকের দুই ব্যাটার (হৃদয় এবং শামীম) নিজেদের ক্লাস দেখিয়েছে। মাঠের ৩৬০ ডিগ্রিজুড়ে খেলতে পারা, বলের পেস কাজে লাগিয়ে ছক্কা মারা, দারুণ কোয়ালিটি ব্যাটিং ছিল। বোলাররা আশা করি অনেক কিছু শিখবে এবং পরের ম্যাচে সেগুলো কাজে লাগিয়ে আজকের চেয়ে কিছুটা ভালো বোলিং করতে সক্ষম হবে।’
বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখে আফসোস হচ্ছে ক্লিভারের, ‘উইকেট অনেক ভালো ছিল। সঙ্গে বাতাসও ছিল; ব্যাটাররা দারুণ স্মার্ট ছিল। বাতাসটাকে কাজে লাগিয়ে পেছনের দিকে শট খেলেছে। দারুণ কিছু শট খেলেছে, যেগুলো অবিশ্বাস্য ছিল। সোজা ব্যাটেও দারুণ কিছু শট খেলেছে তারা (বাংলাদেশের ব্যাটাররা)। তখন আমার মনে হয়েছে, আমরা নিজেদের ব্যাটিংয়ে আরও ভালো করতে পারতাম। যেভাবে তারা রানের গতি বাড়াল, দারুণ ছিল। তাদের ব্যাটিং দেখতে ভালো লাগলেও প্রতিপক্ষের এমন ব্যাটিং দেখাটা আসলে কঠিনই।’