চলমান টেস্ট সিরিজের প্রথম তিন ইনিংসেই পাকিস্তানকে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। আগের তিন ইনিংসে একবারও সফরকারীদের প্রথম উইকেট নিতে পারেননি নাহিদ রানা। অবশেষে সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান শিবিরে প্রথম আঘাত হানলেন এই গতি তারকা।
বাংলাদেশের দেওয়া ৪৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে কোনো রান না করেই তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছিল পাকিস্তান। চতুর্থ দিনের শুরুতে জুটি জমিয়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আজান আওয়াইস এবং আব্দুল্লাহ ফজল। তাতে উইকেটের অপেক্ষা একটু একটু করে বাড়ছিল বাংলাদেশের। সে অপেক্ষা ফুরিয়েছে রানার হাত ধরে।
১১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। রানার করা অফ স্টাম্পের বাইরের শর্ট ডেলভারি ফজলের ব্যাটে লেগে সোজা চলে যায় গালিতে থাকা মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে। দারুণভাবে ক্যাচ লুফে নেন ওয়ানডে অধিনায়ক। ৬ রান করে ফেরেন ফজল। এই ওপেনারের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক শান মাসুদ।
সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের প্রথম উইকেট নিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। এই পেসারও ফিরিয়েছিলেন ফজলকে। ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ইমাম উল হককে আউট করে অতিথিদের ব্যাটিং লাইনে প্রথম আঘাত হানেন মিরাজ। দ্বিতীয় ইনিংসেও প্রথম ব্যাটার হিসেবে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই ব্যাটার। সে যাত্রায় ইমামকে ফেরান তাসকিন।
রানা অবশ্য আগের তিন ইনিংসে পাকিস্তানের প্রথম উইকেট নেওয়ার সুযোগই পাননি। প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসেই তৃতীয় বোলার হিসেবে বল করতে আসেন। সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে তো চার নম্বরে তাঁকে বোলিংয়ে এনেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় ইনিংসে বল করতে এলেন তাসকিন এবং শরীফুল ইসলামের পর।
উইকেটের সূচনা না হলেও সিরিজে বল হাতে বেশ আলো ছড়াচ্ছেন রানা। ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে প্রায় ড্র হতে থাকা ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে দেন। চলতি টেস্টের প্রথম ইনিংসে রানার শিকার ৩ উইকেট। প্রথম উইকেট নিয়ে এবার কোথায় থামেন সেটা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে।