হোম > খেলা > ক্রিকেট

৩৭-এ এসেও কোহলির এমন ব্যাটিংয়ের রহস্য কী

ক্রীড়া ডেস্ক    

ব্যাট হাতে এখনো দুর্দান্ত কোহলি। ছবি: সংগৃহীত

বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিরাট কোহলির ব্যাটও চলছে সমানতালে। এখনো বাইশ গজে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের জন্য সাক্ষাৎ যমদূত তিনি। এখনো একা হাতে দল জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৩৭ বছর বয়সে এসে কোহলির এমন ব্যাটিংয়ের নেপথ্যে দারুণ ফিটনেস। এ জন্য বিরতিতে প্রচুর বিশ্রাম নেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।

ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টি সংস্করণ থেকে আরও আগেই অবসরে নিয়েছিলেন কোহলি। ছোট সংস্করণে এখন কেবল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেই (আইপিএল) দেখা যায় তাঁকে। সেখানেই যেন নিজের আগ্রাসন দেখিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত। এই যেমন আইপিএলের ১৯ তম সংস্করণের উদ্বোধনী ম্যাচেই দেখা গেল ব্যাট হাতে কোহলির মুন্সিয়ানা। ম্যাচটিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৬ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টে উড়ন্ত সূচনা পেয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

নিজেদের মাঠ এম চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে এদিন কোহলির টর্নেডো ব্যাটিংয়ে হায়দরাবাদের করা ২০১ রানকে মামুলি বানিয়ে ফেলেছিল বেঙ্গালুরু। ২৬ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দের পৌঁছে যায় স্বাগতিকেরা। দল জেতানোর পথে পাঁচটি করে চার এবং ছক্কায় ৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন কোহলি। ১৮১ স্ট্রাইকরেটের ইনিংস খেলে যেন বোঝাতে চাইলেন—এখনো দলকে অনেক কিছুই দেওয়ার আছে তাঁর। অথচ এদিন ১০ মাস পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমেছিলেন কোহলি। কিন্তু তারকা ব্যাটারদের দেখে একবারও মনে হয়নি, এই সংস্করণে লম্বা বিরতির পর মাঠে নেমেছেন তিনি।

আইপিএলের গত মৌসুমে নিজেদের প্রথম শিরোপা জেতে বেঙ্গালুরু। সেবার ফ্র্যাঞ্চাইজিটির শিরোপা জয়ের পথে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দেন কোহলি; ব্যাট হাতে করেছিলেন ৬৫৭ রান। ব্যাটিং গড় ৫৪.৭৫, স্ট্রাইকরেট ১৪৫। আরও একটি নতুন মৌসুমে কোহলি ফর্মে থাকায় শিরোপা ধরে রাখার আত্মবিশ্বাসটাই যেন বেড়ে গেল বেঙ্গালুরুর।

যাঁকে নিয়ে এত কথা—হায়দরাবাদের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে খোদ সেই কোহলিই জানিয়েছেন নিজের দারুণ ফিটনেসের রহস্য। তিনি বলেন, ‘১৫ বছর ধরে যে ব্যস্ত সূচি দেখছি এবং যে পরিমাণ ক্রিকেট খেলেছি, তাতে আমার জন্য অপ্রস্তুত থাকার চেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকিই বেশি ছিল। এই বিরতিগুলো আমাকে মানসিকভাবে ফিট হতে সাহায্য করে। আমি সতেজ থাকি ((বিরতি থেকে ফেরার পর), রোমাঞ্চিত থাকি। যখনই খেলায় ফিরি, ১২০ ভাগ দিয়ে ফিরি। কখনোই অপ্রস্তুত হয়ে ফিরি না।’

শারীরিক এবং মানসিকভাবে ভালো থাকতে একজন ক্রিকেটারের জন্য বিশ্রামের বিকল্প দেখেন না কোহলি, ‘বাড়তি বিশ্রাম আমাকে মানসিকভাবে সতেজ রাখে। ফিট এবং মানসিকভাবে চনমনে থাকতে পারলে ক্রিকেটে সবকিছু মিলে যায়। দলের জন্য অবদান রাখা যায়; যেটা একজন ক্রিকেটারের কাজ। শুধু দলে জায়গা ধরে রাখতে চাই না, পারফর্ম করে যেতে চাই এবং দলের জন্য পরিশ্রম করে যেতে চাই।’

টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিলেও ভারতের হয়ে ওয়ানডে খেলে যাচ্ছেন কোহলি। সবশেষ সাত ওয়ানডেতে তিনটি করে সেঞ্চুরি এবং ফিফটি করেছেন। এই ফর্মই আইপিএলে ভালো করতে সাহায্য করছে বলে মনে করেন কোহলি, ‘আমি শেষ যে ম্যাচটি (টি-টোয়েন্টি) খেলেছি, তা ছিল গত বছরের ফাইনাল (আইপিএলের ফাইনাল)। তবে সম্প্রতি ওয়ানডে সিরিজে ভালো ব্যাটিং করেছি। যা আমাকে একই ছন্দে থাকতে সাহায্য করেছে। এমন কোনো শট খেলিনি (হায়দরাবাদের বিপক্ষে) যা আমি সাধারণত খেলি না। জানতাম যতক্ষণ আমার ছন্দ থাকবে, ততক্ষণ সবকিছু সুন্দরভাবেই হবে।’

পান্ডিয়ার ৬ কোটির গাড়ি, চপ্পল পরে চালিয়ে বিতর্কিত

এবার কি বাবরের সুদিন ফিরবে

পিএসএলে আজ মোস্তাফিজ-ইমনদের প্রতিপক্ষ কারা

প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা পাওনা তাসকিনদের

আইপিএল সম্প্রচারের সংবাদ সঠিক নয় বলে জানিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়

দুই ইংলিশ ক্রিকেটারের আইপিএলের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কারণ কী

পিএসএল অভিষেক রাঙাতে পারেননি শরীফুল

সুইডেনের লিগে দল পেলেন সাকিব

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য করায় পাকিস্তানি পেসারকে শোকজ

আইপিএল দেখাবে না টি-স্পোর্টস, দেখবেন কীভাবে