ফিফটি করে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর কারিগর ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা তাওহীদ হৃদয়। এদিন ব্যাটিংয়ে কম যাননি শামীম পাটোয়ারি। ১৩ বলে ৩১ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। এই বিস্ফোরক ইনিংস ছাপিয়ে নো লুক শটের কারণে আলাদাভাবে আলোচনায় এই ফিনিশার। তাঁর এই শটের প্রশংসা করেছেন সতীর্থ হৃদয়।
১৮৩ রান তাড়া করতে নামা বাংলাদেশের ইনিংসের ১৬ তম ওভারের ঘটনা। নাথান স্মিথের করা সে ওভারের তৃতীয় বলটা জায়গায় দাঁড়িয়ে না তাকিয়ে উইকেটরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বাউন্ডারির বাইরে পাঠান শামীম। নন স্ট্রাইক প্রান্তে দাঁড়িয়ে সতীর্থের ওই শট মুগ্ধ চোখে দেখেছেন দেখেছেন হৃদয়। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শামীমের ওই শট প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে এই ব্যাটারের সাবলীল উত্তর—এই শটটা বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা খুব কমই মারতে পারে।
হৃদয় বলেন, ‘আমি ওর ব্যাটিং অনেক উপভোগ করি সত্য কথা বলতে। কারণ এমন এমন শটস ও খেলে যেটা আমাদের খুব কম ব্যাটারই আছে যে ও রকম শটস মারতে পারে। ছয় নম্বরে এ রকম খেলোয়াড়ই দরকার, যে সবদিকেই যেকোনো সময় মেরে দিতে পারবে। বোলাররাও অনেক চাপে থাকে এ রকম শটস খেললে। যেমন যে ছয়টা মেরেছে, আপনি যদি খেয়াল করে দেখেন এ রকম ছয় আমরা খুব কমই মারতে পারি।’
শামীমের পাশাপাশি পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটিংয়েও মুগ্ধ হৃদয়, ‘নাম্বার ফাইভ, নাম্বার সিক্স এমন একটা পজিশন, এই পজিশনে আপনি ফিফটি হঠাৎ একদিন-দুইদিন হবে। যেদিন ওই পজিশন থেকে নাম্বার সিক্স থেকে কেউ ফিফটি মারবে, তার মানে বুঝতে হবে আমাদের দলটা অনেকটা ব্যাকফুটে। কারণ দ্রুত ৩-৪টা উইকেট আমাদের যাবে। তো ওই জায়গাটা ইমপ্যাক্টফুল ইনিংসটা যেমন শামীম আজকে যেটা করেছে, আমার কাছে মনে হয় ওই ইনিংসটা একটা ফিফটির থেকে অনেক বড় ইনিংস শামীম এবং ইমন যেটা করেছে। তো এই জিনিসটা আমাদের নিজেদেরও বুঝতে হবে যে ইমপ্যাক্টফুল ইনিংসটা আসলে কতটুকু। অনেক সময় আমরা নিজেরাও চিন্তা করি যে ফিফটি বা সেঞ্চুরি। আমার কাছে মনে হয় যে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ১০ রানও ইমপ্যাক্টফুল ইনিংস হতে পারে—যেটা আজকে শামীম আর ইমন দুজন মিলে করেছে। ম্যাচটা জেতানোর জন্য আরও সহজ হয়ে গেছে।’