উসমান তারিকের বিরুদ্ধে চাকিংয়ের অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও একাধিকবার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছেন এই পাকিস্তানি স্পিনার। আরও একবার প্রশ্নবিদ্ধ হলো তাঁর বোলিং অ্যাকশন। এমন অভিযোগের পর হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন তিনি।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে গতকাল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৯০ রানে হারিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। জয়-পরাজয় ছাপিয়ে এ দিন আলোচনায় উঠে এসেছে তারিকের বোলিং অ্যাকশন। স্বাগতিকদের সিরিজ জয়ের দিনে ২.৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ক্যামেরুন গ্রিন ও ম্যাথু কুনেম্যানের উইকেট তুলে নেন তিনি। তারিকের করা ১১তম ওভারের শেষ বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে শাদাব খানের হাতে ধরা পড়েন গ্রিন।
২০ বলে ৩৫ রান করা গ্রিন আউট মেনে নিতে পারেননি। আউট হওয়ার পর তারিকের অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। হতাশ হয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় পাকিস্তানি স্পিনারের অ্যাকশন অনুকরণ করতে দেখা যায় তাঁকে। ডাগআউটে কোচদের সামনে বসেও একই কাজ করেছেন। এই অলরাউন্ডারকে যে চাকিংয়ের অভিযোগ করছিলেন, সেটা বুঝতে কারও সমস্যা হয়নি। তবে গ্রিন কিংবা অস্ট্রেলিয়ার অন্য কোনো ক্রিকেটার তারিকের অ্যাকশন নিয়ে আম্পায়ারের কাছে অভিযোগ করেননি। তাই বোলিং চালিয়ে যান এই স্পিনার।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ছোট ভিডিও পোস্ট করেছেন তারিক। সেখানে দেখা যায়, গ্রিন যে ভঙ্গিতে চাকিংয়ের অভিযোগ করেছেন, ঠিক একইভাবে কান্নার সুরে অভিযোগ করছে এক কিশোর। সেই ভিডিওর ওপরে ‘আফটার গেটিং আউট’ লেখা জুড়ে দিয়েছেন তারিক। এর অর্থ—আউটের পর। তারিকের এমন পোস্ট ভক্তদের মাঝে হাসির খোরাক জুগিয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে অভিযোগটাও হচ্ছে জোরালো। নেটিজেনদের মতে, বোলিংয়ে আইসিসির বেঁধে দেওয়া মাত্রা অতিক্রম করেছেন তারিক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, একজন স্পিনার বোলিংয়ের সময় সর্বোচ্চ ১৫ ডিগ্রি পর্যন্ত কুনই বাঁকাতে পারবেন। তারিক সত্যিই সেই মাত্রা অতিক্রম করেছেন কি না, সেটা এখনই বলার উপায় নেই।