হোম > রাজনীতি

বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের পরিবর্তে সরকার মার্কিন তোষণ নীতি গ্রহণ করেছে: সিপিবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রাজধানীতে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) বিক্ষোভ সমাবেশ। ছবি: আজকের পত্রিকা

জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস আয়োজনের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। সমাবেশে দলের সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, বাংলাদেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে’ পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। দেশবাসীকে এই চক্রান্ত রুখে দিতে হবে।

আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর পল্টন মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব, কদম ফোয়ারা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পল্টন মোড়ে এসে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।

সমাবেশে কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন বলেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত দেশবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করার পরিবর্তে সরকার মার্কিন তোষণ নীতি অবলম্বন করছে। নজিরবিহীনভাবে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এই উদ্‌যাপন তারই সাক্ষ্য বহন করে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ও সংসদের তথাকথিত বিরোধী দল মিলিতভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। সম্মিলিত প্রতিরোধ ছাড়া দেশপ্রেমিক মানুষের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম ইচ্ছার প্রতীক এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সেই প্রাঙ্গণকে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উদ্‌যাপনের ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া স্বাধীনতা ও জাতীয় আত্মমর্যাদাবোধের পরিপন্থী। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানি সামরিক জান্তার প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক সহযোগী ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তাদের ভূমিকা ইতিহাসবিদিত। সেই রাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস পালনের জন্য জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ব্যবহারের অনুমতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি অবমাননা।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত নানা ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এ ধরনের আনুষ্ঠানিক আয়োজন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির স্বাধীনতা, জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব সম্পর্কে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্নের জন্ম দেয়। সরকার জনগণের অনুভূতি ও দেশের মর্যাদার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

সমাবেশ থেকে বক্তারা জাতীয় সংসদ ভবনসহ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতীকসমূহকে ভবিষ্যতে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস বা অনুরূপ আনুষ্ঠানিক আয়োজনের জন্য ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ার জন্য সরকারকে সতর্ক করেন। সমাবেশ থেকে এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে দেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে ৮ জুলাই সারা দেশে জেলা-উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রাগীব আহসান মুন্না, জলি তালুকদার, ঢাকা মহানগর উত্তর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক লুনা নূর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর মঈন প্রমুখ।

জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দাবি করলে গণভোটের রায়কে বাস্তবায়ন করুন: নাহিদ ইসলাম

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে এনসিপির শোকবার্তা

হট্টগোলে পণ্ড যুবদলের জরুরি সভা

ঢাবি নিয়ে ফুয়াদের ‘ঘৃণাপূর্ণ’ বক্তব্যের আইনগত ব্যবস্থার দাবি ছাত্রদলের

জুলাই পদযাত্রার প্রথম দিন কালীগঞ্জ যাচ্ছেন নাহিদ ইসলামসহ এনসিপি নেতারা

অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির পরিবেশ গড়ে তোলা জরুরি: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে স্পেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

গোপালগঞ্জসহ ছয় জেলাতে হচ্ছে না এনসিপির জুলাই পদযাত্রা, কারণ হিসেবে যা বলছেন নেতারা

অহংকার যে ধ্বংস করতে পারে, তার প্রমাণ সাবেক প্রধানমন্ত্রী: সোহেল তাজ

সোমবার শুরু এনসিপির মাসব্যাপী কর্মসূচি, কালীগঞ্জ থেকে উত্তরে ‘জুলাই পদযাত্রা’