হোম > রাজনীতি

নেতা-কর্মীদের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবে হেফাজত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কারাবন্দী নেতা কর্মীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেবেন হেফাজতের আমীর মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। আজ সোমবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজত আমীরের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন। 

আজ সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক মুফতি কেফায়েতুল্লাহ আজহারী এই খবর জানান।

কেফায়েতুল্লাহ জানান, বৈঠকে কারাবন্দী হেফাজত নেতা-কর্মীদের মুক্তি ও হেফাজতের নামে ২০১৩ সাল থেকে আজ পর্যন্ত হওয়া সব মামলা প্রত্যাহার করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমীরে হেফাজতের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক প্রসঙ্গে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সচিব মুহিউদ্দিন রাব্বানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, এরই মধ্যে বেশির ভাগ নেতা কর্মীই মুক্তি পেয়েছেন। এখনো অন্তত অর্ধশত নেতা কর্মী কারাবন্দী রয়েছেন। তাদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিগগির আবেদন করার দিন ক্ষণ ঠিক করা হবে। 

এদিকে বৈঠকে আগামী ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীতে জাতীয় উলামা মাশায়েখ সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে জেলা কমিটি গঠন করতে হেফাজতের মহাসচিব সাজিদুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট উপকমিটি গঠন করা হয়। বৈঠকে কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা মহানগর কমিটি সম্প্রসারণ এবং পুনঃবিন্যাস ও চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক মুহিউদ্দীন রাব্বানী ও কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সোবহানীকে যুগ্ম সচিব করা হয়। 

‘যেসব দল–ব্যক্তি মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়, তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে’

সরকারব্যবস্থা থেকেই গণতান্ত্রিক চর্চা কার্যকর করতে হবে: তারেক রহমান

একটি দলের কার্যকলাপ নিয়ে ‘নাউজুবিল্লাহ’ বললেন তারেক রহমান

শেরেবাংলা-সোহরাওয়ার্দী-নজরুল-হাদির কবর জিয়ারতের মাধ্যমে এনসিপির প্রচার শুরু

আপনারা ভালা আছেননি—সিলেটবাসীকে সালাম দিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্য শুরু

সিলেটে বিএনপির সমাবেশ: মঞ্চে তারেক রহমান

ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

সিলেটের সকালটা আজ অন্যরকম

৭ আসনে এনসিপির প্রতিপক্ষ জামায়াত, খেলাফত প্রার্থীরাও

ভোটারের প্রত্যাশা বেশি, প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি কম নয়