বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল সংসদে পাস হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এতে লাভ-ক্ষতির কথা বলা হয়েছে। যখন এখান থেকে আয় করার ইচ্ছা থাকবে, স্বাভাবিকভাবেই চিকিৎসা ব্যয় বাড়বে। বাজেটে জনগণের পকেট খরচ কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এই বিল তার বিপরীত।
জাতীয় সংসদে আজ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল-২০২৬ নিয়ে প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন। এরপর পয়েন্ট অব অর্ডারে বিল নিয়ে ওই কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা।
শফিকুর রহমান আরও বলেন, এ ধরনের কোম্পানি শেয়ার করতে আসলে আগামীতে একটি অসুস্থ প্রতিযোগিতার ঝুঁকি তৈরি হবে। এর মাধ্যমে জনগণের প্রাপ্তির চেয়ে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্রাপ্তি বেশি হওয়ার আশঙ্কা আছে।
জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আপনি একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক। বিলটি কেবল উপস্থাপিত হয়েছে। বিবেচনার সময় আপনাকে দীর্ঘ সময় দেওয়া হবে, তখন পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা করবেন।
অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে সভার নোটিশ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘সকাল ১০টায় মিটিং, আর আমাকে মেসেজ দেওয়া হয়েছে ৯টা ১৯ মিনিটে! ১০টা ১৯ মিনিটে সভাপতির পিএস ফোন করে বলেন মিটিং চলছে। গুরুত্বপূর্ণ কমিটির মিটিংয়ের খবর কি মেসেজে হয়? ম্যাজিক জানা না থাকলে এই অল্প সময়ে উপস্থিত হওয়া সম্ভব নয়। আমাকে যথাসময়ে খবর দেওয়া হলো না কেন?’
সংসদ সদস্যের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার সংশ্লিষ্ট বিশেষ কমিটির সভাপতিকে ভবিষ্যতে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দেন।