যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ক্ষেত্রে মতপার্থক্য ভুলে সবাইকে একযোগে কাজ করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘হিংসা-প্রতিশোধের পরিণতি কী হতে পারে, সেটা আমরা দেখেছি চব্বিশের ৫ আগস্ট। মতপার্থক্য যাতে মতবিভেদ না হয়ে যায়, বিভেদের কারণ না হয়। সবাই মিলে কাজ করতে হবে।’
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান আরও বলেন, ‘সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ আছে। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন মতপার্থক্য আছে। এসব মতপার্থক্য নিয়ে যেন আলোচনা হয়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলসহ সবাইকে আহ্বান জানাব।’
বিএনপির চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আমাদের সমস্যা ছিল, সমস্যা আছে। আমরা অবশ্যই ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই না।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘একটা কঠিন সময়ে তারেক রহমান দেশে ফিরে এসেছেন। দেশের মানুষ বুকভরা আশা নিয়ে তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছে।’
ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনাম বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র চাই, স্বাধীন সাংবাদিকতা চাই।’ এ সময় তিনি তারেক রহমানকে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাংবাদিকতার গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরির তাগিদ দেন নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর। এ ক্ষেত্রে পরস্পর দোষারোপের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসারও তাগিদ দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাহউদ্দিন বাবর, একুশে টেলিভিশনের সিইও আব্দুস সালাম, যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন ও ঢাকা স্ট্রিমের সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদসহ আরও অনেকে বক্তব্য দেন।