হোম > রাজনীতি

অধিকাংশ ‘না’ ভোট লাঙ্গলের: জি এম কাদের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জি এম কাদের। ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে অংশ নেওয়া সব রাজনৈতিক দল জনগণকে উদ্বুদ্ধ করলেও জাতীয় পার্টি (জাপা) ‘না’ ভোটের পক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রচার করেছে। সে প্রসঙ্গ টেনে অধিকাংশ ‘না’ ভোটের দাবি করে দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের বলেছেন, এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের।

আজ রোববার রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মাল্টিপারপাস মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জাপার লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীরা ২০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সব কটিতেই পরাজিত হন। দশম, ১১তম ও ১২তম জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এই নির্বাচনে এক শতাংশের কম ভোট পায়। অন্যদিকে গণভোটে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১ জন মানুষ ‘না’ ভোটের পক্ষে মত দেন।

২০২৬ সাল জাতীয় পার্টির পুনর্গঠনের বছর মন্তব্য করে জি এম কাদের বলেন, ‘তৃণমূল পর্যায়ে কর্মী, সংগঠক ও সমর্থকদের সংগঠিত করে জাতীয় পার্টির ছায়াতলে নিয়ে আসাটা হচ্ছে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই ফলাফলে আমরা বিচলিত নই, বরং খুশি। আমরা মনে করি, অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করে দেশকে রসাতলে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। এই সময়ে নির্বাচন না হলে অথবা এই ধরনের ফলাফল না হলে ওই সরকার দেশে আঁকড়ে থাকত আর তাতে দেশে দুর্ভিক্ষ ও গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা ছিল। এ জন্য আমরা মনে করি, দেশে একটা নির্বাচিত সরকার দরকার ছিল।’

নির্বাচনে জাপার বিপর্যয় ঘটেনি, অন্তর্বর্তী সরকার ম্যাটিকুলাস ডিজাইনে তাদের হারিয়ে দিয়েছে দাবি করে জি এম কাদের বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন আসনে অত্যন্ত হাস্যকরভাবে ভোটের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের কিছু জনপ্রিয় প্রার্থীর কোনো কোনো আসনে ভোট ‘‘শূন্য’’ দেখানো হয়েছে। তারা পিআর পদ্ধতি মাথায় রেখে পার্টির ভোটের সংখ্যা শতকরা এক ভাগের নিচে রেখেছে।’

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে সরকারকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। সব দলকে রাজনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। দেশকে বিভাজন না করে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে।

একই অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, নবনির্বাচিত সরকার কিছু প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নিয়োগ অর্থব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, ফখরুল ইমাম, শেরিফা কাদের, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর শিকদার লোটন, এমরান হোসেন মিয়া, এম এ তাহের প্রমুখ।

রাশেদ ও গাফফারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের কথা ভাবছি: হান্নান মাসউদ

পদত্যাগের দুদিন পর ফেসবুকে দীপেন দেওয়ানের দীর্ঘ পোস্ট

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে টানাটানি করার সুযোগ দেওয়া হবে না: শফিকুর রহমান

সেলিনা হায়াৎ আইভী কারামুক্ত

পুশ ইন ইস্যুতে সরকারের কঠোর অবস্থান দেখতে চান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রহমতুল্লাহ মারা গেছেন

সীমান্তে পুশ ইনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

বিচার লম্বা হওয়া মানে অপরাধীকে সহযোগিতা করা: ধর্ষণ-হত্যা নিয়ে জামায়াত আমির

সরকারের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দেওয়া হবে: যুবশক্তি সভাপতি

আওয়ামী লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা বড় দুই দলের ইনসিকিউরিটি: মাহফুজ আলম