হোম > রাজনীতি

হাদির হত্যাকারীকে দ্রুত ফিরিয়ে মূল পরিকল্পনাকারীদের ধরার দাবি ইনকিলাব মঞ্চের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। ছবি: আজকের পত্রিকা

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদি হত্যার ৮৭ দিন পর এই হত্যার সঙ্গে জড়িত শুটার গ্রেপ্তার হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে তাঁর সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ। তবে সংগঠনটি বলেছে, শুধু গুলি করা ব্যক্তি নয়- এই হত্যার পেছনে যারা পরিকল্পনা করেছে এবং শুটারদের ভাড়া করেছে, তাদেরও দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

রাজধানীর শাহবাগে আজ সোমবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

জাবের বলেন, ‘৮৭ দিন পরে হলেও শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারী গ্রেপ্তার হয়েছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমরা বারবার বলেছি, শুধু যিনি গুলি করেছেন তিনিই একমাত্র হত্যাকারী নন। এই হত্যার পেছনে যারা শুটার ভাড়া করেছে এবং পরিকল্পনা করেছে, তাদের আমরা এখনো কোথাও দেখতে পাচ্ছি না।’ তিনি দাবি করেন, এর আগে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এ হত্যাকাণ্ডের একটি তদন্ত সম্পন্ন করেছিল। সেখানে ফয়সাল করিম মাসুদকে দিয়ে মামলার তদন্ত শুরু করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

জাবের বলেন, বর্তমানে মামলাটির তদন্তভার অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি)। শুটারকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হওয়ায় এখন তাঁকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যার পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বের করে আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শহীদ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়েছিল। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে- কারা তাঁকে (হত্যাকারী) সেফ এক্সিট দিল? কীভাবে এই খুনি ভারতে পালিয়ে গেল? কারা এর পেছনে রয়েছে, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’ তিনি বলেন, ওসমান হাদি হত্যার নেপথ্যের সব ব্যক্তিকে আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে না।

হাদি হত্যার বিষয়ে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে জাবের বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এ হত্যার বিচার চেয়ে জাতিসংঘের কাছে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। তাই নিরপেক্ষতার স্বার্থে বর্তমান সরকারকে সেই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার এবং অগ্রগতি সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার দাবি জানান তিনি।

ইনকিলাব মঞ্চের অনেক সদস্যের ফেসবুক আইডি রিপোর্ট করে নষ্ট করা হচ্ছে অভিযোগ করে জাবের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সবাই তো বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাদের তো আর কোনো কাজ নাই। সারা দিন ফেসবুক আর ইউটিউব নিয়েই কাজ তাদের। তারা রাস্তায় বের হতে পারছে না। সুতরাং তারা বারংবার রিপোর্ট দিয়ে আমাদের আইডিগুলো নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইতিপূর্বে একবার আমার আইডিতেও বেশ কিছুদিন লগইন করতে পারি নাই এবং আমাদের বিভিন্ন ভাইবোন এবং ইনকিলাব মঞ্চের পেজগুলো তাদের অত্যধিক রিপোর্টের কারণে লগইন করতে আমাদের সমস্যা হচ্ছিল।’

পুলিশের কাছে থাকা ডিভাইসে লগইন করা আইডিগুলোও আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন জাবের। তিনি বলেন, ‘পুলিশের কাছে আমাদের যেই ফোনগুলো রয়েছে, যমুনার সামনে থেকে আমাদের যেই ফোনগুলো তারা নিয়েছে, ওখানে যেই আইডিগুলো লগইন করা ছিল, আস্তে আস্তে সেই আইডিগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ আমরা হারিয়ে ফেলছি। তাদের কাছে বারংবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও তারা এখন পর্যন্ত সেই ফোনগুলো আমাদের কাছে হস্তান্তর করছে না। এটা অত্যন্ত আশঙ্কার বিষয় যে ভেতর থেকে কেউ এই কাজগুলো করবার চেষ্টা করছে কি না।’

এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম সদস্য ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, তাঁর ফেসবুক আইডিতে লগইন করতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই তিনি ডিএক্টিভেট করে নতুন আইডি ব্যবহার করছেন।

মেলবোর্নে ভিক্টোরিয়া বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকারের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে: নাহিদ ইসলাম

ছয় মাসের জন্য এনসিপির ট্যাক্স ল ইয়ার্স অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

ঢাবিতে ছাত্রলীগ করার অভিযোগে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীকে মারধর, হাসপাতালে ভর্তি

বিএনপিকে ধন্যবাদ দিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ইনকিলাব মঞ্চের ঢাবি শাখা কমিটি ঘোষণা

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

দেশে অরাজকতা নয়, সরকারকে কাজ করতে দিন: মির্জা আব্বাস

ভারতে বসে শেখ হাসিনা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার, ইমিসহ তিনজন কারাগারে