ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া। হলফনামা অনুযায়ী, আইন পেশা ও টেলিভিশনে টকশো করে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকা।
বরিশালের এই আসনে ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও মনোয়নপত্র দাখিল করেন ৯ প্রার্থী। এর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীর তালিকায় আসাদুজ্জামান ভুইয়াও আছেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এই আসনে নির্বাচন করবেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি ব্যারিস্টার ফুয়াদ নামেই পরিচিত। নির্বাচনী প্রচারের জন্য তিনি তহবিল সংগ্রহ করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে।
গত সোমবার রাত পর্যন্ত তাঁর তহবিলে ২২ লাখ টাকা সংগ্রহ হয়েছে বলে নিজেই ফেসবুকে জানিয়েছেন। হলফনামা অনুযায়ী, ফুয়াদের আয়ের অন্যতম উৎস টকশো ও আইন পেশা। আইন পেশায় বার্ষিক সম্মানী পান ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং টেলিভিশনে টকশো করে সম্মানী পান ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া শেয়ার বন্ড ও ব্যাংক জমা থেকে তাঁর বার্ষিক আয় ৫ হাজার ৬০২ টাকা।
এর বাইরে ব্যারিস্টার ফুয়াদের কোনো আয় নেই বলেও তিনি হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদের নিজের নগদ ২ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ৫০ হাজার টাকা রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। এ ছাড়া ব্যাংকে ফুয়াদের নামে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ও স্ত্রীর ১৮ হাজার টাকা সঞ্চয় রয়েছে।