জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে বিএনপি আগেরমতো ভুল করলে দলটি আরও ছোট হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
সচিবালয়ে সোমবার এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের বহু আগে থেকে বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বলে আসছিল। ওই নির্বাচন বানচাল করার জন্য তারা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। ৫০০ ভোটকেন্দ্র জ্বালিয়ে দিয়েছিল, ছাত্রছাত্রীদের নতুন বই পুড়িয়ে দিয়েছিল, বহু মানুষকে হত্যা করেছিল, নির্বাচনী কর্মকর্তাদের হত্যা করেছিল। এরপরেও তারা নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচন বানচাল করার প্রচেষ্টা তাদের ছিল।
‘এর আগেও বিএনপি এ ধরনের হুমকি দিয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। আমি মনে করি ২০১৮ সালের নির্বাচন বানচাল বা বর্জনের দিকে না গিয়ে শুরু থেকেই সিরিয়াসলি নিয়ে যদি বিএনপি অংশগ্রহণ করত, হয়তো আরও ভালো ফলাফল করতে পারত। এখন নির্বাচনের সোয়া দুই বছর বাকি থাকতে বিএনপির একই তর্জন-গর্জন শোনা যাচ্ছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে তারা যে ভুল করেছে সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করলে বিএনপি আসলে যে ছোট হয়ে আসছে সেটি আসলে আরও ছোট হয়ে যাবে। সেটি তাদের জন্য আত্মহননমূলক হবে।’
আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এক লাখ অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট মাঠে নামাবে তারা। আওয়ামী লীগের এই উদ্যোগ নিয়ে বিএনপি বলছে, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতেই এটা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এরা কাজ করবেন। এখনো আমাদের দলের হাজার হাজার অ্যাকটিভিস্ট কাজ করছেন। যাতে করে তারা সমন্বয় করে কাজ করতে পারেন সেটির কথা বলা হয়েছে। যারা এ কথাগুলো বলে তাদের মনে হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে তেমন কোনো ধারণা নেই। তারা তো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাজ করবে, এখানে কার কণ্ঠ কে রোধ করবে? মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আর রিজভীরা বিদেশে বিভিন্ন গোষ্ঠীকে নিয়োগ করেছে সরকার ও দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর জন্য। সেই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে যখন সুপ্রচার আরও জোরালো হবে তখন এই অপপ্রচারগুলো মাঠে মারা যাবে সেই শঙ্কা থেকেই তারা কথাগুলো বলেছেন।