হোম > রাজনীতি

ইসরায়েলের শক্তির উৎস সারা বিশ্বের মানুষ জানে: এ টি এম আজহার

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম। ফাইল ছবি

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে কেন? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? কোথা থেকে তারা মদদ পায়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে। তাদের আক্রমণের মাধ্যমে মনে হয় সেই আদিম যুগের সেই কথা—‘জোর যার মুল্লুক তার’। এখন এটা আদিম যুগ না। জোর যার মুল্লুক বলে আপনি কোনো দেশকে আক্রমণ করে দখল করতে পারবেন না।’

রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর ফটকে আজ রোববার আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ টি এম আজহার এ কথা বলেন।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘যারা গণতন্ত্র-মানবতার ফেরি করেন, যারা জনগণের সার্বভৌমত্বের ফেরি করেন, তারা কীভাবে ন্যক্কারজনকভাবে স্বাধীন এবং সার্বভৌম ইরানের ওপর হামলা করতে পারে? এই হামলা শুধু মুসলিম বিশ্বের মুসলমানদের বিরুদ্ধেই নয়, এই হামলা গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, এই হামলা মানবাধিকারের বিরুদ্ধে, শান্তিকামী মানুষের বিরুদ্ধে। অতএব শান্তিকামী মানুষ, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, জনগণকে যারা ভালোবাসে, তারা এই হামলার নিন্দা না করে পারে না।’

জাতিসংঘ গঠন করা হয়েছে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য- মন্তব্য করে এ টি এম আজহার বলেন, ‘কিন্তু জাতিসংঘ কয়েকটি দেশের তাঁবেদার শক্তি হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছে। নিরীহ শান্তিকামী দেশগুলোর পক্ষে তারা আসে না। আমরা জাতিসংঘকে তাদের যথার্থ ভূমিকা পালন করার উদাত্ত আহ্বান জানাব।’

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা

১২ তারিখ কী রকম নির্বাচন হয়েছে জনগণ জানে- মন্তব্য করে জামায়াতের এই নায়েবে আমির বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীকে কীভাবে অনেক সিটে হারানো হয়েছে তাও জনগণ জানে। তাও আমরা বৃহত্তর স্বার্থে, জনগণের মুক্তির স্বার্থে ও শান্তিরক্ষার স্বার্থে এই নির্বাচনকে আমরা মেনে নিয়েছি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, সরকার ক্ষমতা আসার সঙ্গে সঙ্গেই অতীতের সরকারের মতো হত্যাকাণ্ড শুরু করে দিয়েছে।’

এটিএম আজহার বলেন, ‘বর্তমান সরকারকে বলতে চাই, আপনারা জীবননগরের হাফিজুর রহমান ভাইকে হত্যা করেছেন। তার বড় ভাই মফিজুর রহমান আজকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে, যেকোনো মুহূর্তে বলা যায় না সে বাঁচবে কি বাঁচবে না। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে যারাই জড়িত, অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুন এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসুন। আপনারা আমাদেরকে বাধ্য করবেন না আবার রাজপথে নামার জন্য। রাজপথে নামলে কিন্তু নিস্তার পাবেন না।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, প্রচার সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররম উত্তর ফটক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন নেতা–কর্মীরা। মিছিলটি বিজয় নগর ও কাকড়াইল হয়ে শান্তিনগর মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে খ্রিষ্টান কমিউনিটির সাক্ষাৎ

তুমি সব বোঝো মানি, যতটুকু বোঝো না ততটুকুই আমি: আখতারকে আইনমন্ত্রী

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ১৫ দিনের কর্মসূচি

স্থানীয় নির্বাচন: বড় দলের ‘বঞ্চিতদের’ ভেড়াতে চায় এনসিপি

চার-পাঁচজন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও ‘হেল্প’ পাইনি: মাহফুজ আলম

চীন সফরে রওনা দিয়েছে বিএনপির প্রতিনিধিদল

এল নতুন সংগঠন ‘উন্মোচন’, করবে কৃষকের অধিকার ও শিকড়ের সন্ধান

কুষ্টিয়া ও শাহবাগের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদ ৫৫ নাগরিকের

সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হলো মির্জা আব্বাসকে