ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির একটিসহ ১৮টি মামলা। এর মধ্যে ৯টিতে খালাস পেয়েছেন তিনি। ৮টি মামলা এখনো বিচারাধীন। একটি মামলার তদন্ত চলছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসাইন সাতটি মামলার মধ্যে চারটিতে খালাস পেয়েছেন। দুটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। একটি মামলা বিচারাধীন।
তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) প্রার্থী দিলশানা পারুলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তাঁর নেই কোনো সম্পদও।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।
দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বিএনপির সহ-পরিবার কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক। হলফনামায় তিনি কোনো পেশার কথা উল্লেখ করেননি। আফজাল হোসাইন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য। পেশায় ব্যবসায়ী। আর দিলশানা পারুল এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক। পেশায় উন্নয়নকর্মী।
হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের নগদ রয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নগদ রয়েছে ১৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। নিজের নামে স্থায়ী কোনো আমানত না থাকলেও স্ত্রীর নামে ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকার
স্থায়ী আমানত রয়েছে। দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ৭৫ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি ব্যবহার করেন। তাঁর স্ত্রীর গাড়ির মূল্য ৬২ লাখ টাকা। তাঁর স্বর্ণ রয়েছে ২০ ভরি, স্ত্রীর রয়েছে ৮০ ভরি। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৫৫৬ শতাংশ জমি আর একটি একতলা ভবনসহ তিনটি ফ্ল্যাট রয়েছে দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের।
এদিকে জামায়াতের প্রার্থী আফজাল হোসাইনের নগদ রয়েছে ৪২ হাজার ৭৩৮ টাকা। তাঁর স্ত্রীর রয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। আফজালের স্থায়ী আমানতের পরিমাণ ১৩ লাখ ১৪ হাজার টাকা। স্ত্রীর রয়েছে ৫০ হাজার ৬৫৭ টাকা। আফজালের ব্যবসা থেকে বার্ষিক আয় ৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা। কৃষি খাত থেকে আয় ৩২ হাজার টাকা। বার্ষিক বৈদেশিক আয় ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা। আফজালের স্বর্ণ রয়েছে ২০ ভরি, স্ত্রীর রয়েছে ২৫ ভরি। কৃষিজমির পরিমাণ ৫২ শতাংশ।
এনসিপির দিলশানা পারুলের নগদ রয়েছে ৯ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ব্যাংক বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর বা তাঁর পরিবারের অন্য কারও জমানো টাকা নেই। কোনো স্থাবর সম্পত্তিও নেই।