হোম > রাজনীতি

ঋণ পুনঃ তফসিলের সুবিধাভোগীকে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক করলে প্রশ্ন উঠবেই: জামায়াত

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ঋণ পুনঃ তফসিলের সুবিধাভোগী একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়ায় স্বার্থের সংঘাত ও ব্যাংকিং খাতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম একজন শিল্পপতিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বে বসানো হলো, যাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৯ কোটি টাকা (সাত মিলিয়ন ডলারের বেশি) ঋণ বিশেষ নীতিমালার আওতায় পুনঃ তফসিল করা হয়েছিল নিয়োগের অল্প সময় আগে। তিনি আবার বর্তমান শাসক দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যও ছিলেন। ইতিমধ্যে জ্যেষ্ঠ ব্যাংকাররা স্বার্থের সংঘাত ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যে ব্যক্তি নিজেই ঋণ পুনঃ তফসিলের সুবিধাভোগী, তাঁকে পুরো ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রকের আসনে বসানো হলে বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের পদ কোনো আনুষ্ঠানিক বা অলংকারমূলক দায়িত্ব নয়। এটি একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর একটি, যার ওপর নির্ভর করে মুদ্রানীতির স্থিতিশীলতা রক্ষা, ব্যাংকিং খাত নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সর্বোপরি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আস্থা গড়ে তোলা। জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনের পর যখন মানুষ কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি তুলেছিল, তখন যোগ্যতা ও মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত ছিল। কোটা আন্দোলন কেবলই কোটার প্রশ্ন ছিল না; এটি ছিল মূলত মেধাতন্ত্র ও দক্ষ প্রশাসনের দাবিতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

কিন্তু নতুন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের নিয়োগ সেই প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীত বার্তা দিচ্ছে মন্তব্য করে পরওয়ার বলেন, শক্তিশালী, স্বাধীন এবং দক্ষ নেতৃত্বসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে নিয়োগ, মেধা ও যোগ্যতাকে উপেক্ষা করে নেওয়া সিদ্ধান্ত—দেশীয় আস্থা যেমন নষ্ট করে, তেমনি আন্তর্জাতিক মহলেও আস্থার সংকট তৈরি করে। একটি মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যিনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন, তিনি কীভাবে একটি পুরো দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবেন; এই প্রশ্ন আজ স্বাভাবিকভাবেই উঠছে।

জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, যখন দেশের অর্থনীতি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্যতা, পেশাদারত্ব এবং মেধাভিত্তিক নেতৃত্ব, এমন একসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতার অবসানের সংকেত দিতে পারে এই সিদ্ধান্ত।

ছাত্রদের দাবির তোয়াক্কা না করে সরকার জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে: নাহিদ

অবশেষে তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে প্রার্থী ঘোষণা, কে তিনি

অভিজ্ঞতাহীন ব্যবসায়ীকে গভর্নর নিয়োগ দিয়ে আর্থিক খাতে অরাজকতার সূচনা হলো: ইসলামী আন্দোলন

বুয়েটে রাজনৈতিক কার্যক্রমের অভিযোগ আবরার ফাহাদের ভাইয়ের, ব্যাখ্যা দিলেন নাসীরুদ্দীন

আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে লুটপাটের পথ উন্মুক্ত করল সরকার: নাহিদ ইসলাম

গণভোট হলো জুলাই সনদের সর্বোচ্চ বৈধতা: বদিউল আলম মজুমদার

ভোটে হারানোর কায়দাগুলো চিনে নিয়েছি: জামায়াত আমির

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের পর গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদ ইসলামের

পিলখানা ট্রাজেডির জন্য তৎকালীন সেনাপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবাই দোষী: জামায়াত আমির

বিএনপি জুলাই সনদকে বাইপাস করে সরকার টিকিয়ে রাখতে চাইলে সেটা ভুল হবে: উমামা