হোম > রাজনীতি

সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে গণভোটের প্রস্তাব জাকের পার্টির

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে গণভোটের প্রস্তাব জাকের পার্টি করেছে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব শামীম হায়দার। তিনি বলেছেন, বড় বড় জায়গার বিষয়ে গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হওয়া উচিত। নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশিশক্তির প্রভাব থাকলে তথাকথিত বড় দলগুলোর প্রভাব থাকে। এতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। সেই নির্বাচন অর্থহীন হয়ে যাবে। নির্বাচনে কালো টাকা না থাকলে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এতে প্রশাসন কারও কাছে বিক্রি না হয়ে নিরপেক্ষ থাকবে।

আজ শনিবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপ শেষে এসব কথা বলেন জাকের পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারের সঞ্চালনায় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, বদিউল আলম মজমুদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রমুখ। শামীম হায়দারের নেতৃত্বে জাকের পার্টির ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, রাজনৈতিক উপদেষ্টা এজাজুর রসুল, অতিরিক্ত মহাসচিব মুরাদ হোসেন জামাল, স্থায়ী কমিটির সদস্য কায়সার হামিদ, মহিলা জাকের ফ্রন্টের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুন্নেছা জামান রেণু প্রমুখ।

দ্রুত নির্বাচনের বিষয়ে একাধিক দলের দাবির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শামীম হায়দার বলেন, প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের মতামত দেওয়ার অধিকার রয়েছে। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হচ্ছে মতভিন্নতা ও মতপার্থক্য থাকা, কিন্তু আন্তরিকতা থাকতে হবে দেশ ও গণতন্ত্রের প্রতি। সে ক্ষেত্রে জাকের পার্টি মনে করে, সময় নির্ধারণ নয়, কিছু কিছু সংস্কার আছে, তা করতেই হবে। যৌক্তিক সময়ের মধ্যে তা হওয়া উচিত।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬টি প্রস্তাবের মধ্যে জাকের পার্টি ৯৮টিতে একমত, ৪৭টিতে আংশিক একমত, বাকি ২১টির বিষয়ে তারা বলেছে গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হোক। সংস্কার কমিশনের সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হলে অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হওয়া উচিত বলে মনে করে জাকের পার্টি। শামীম হায়দার বলেন, যে বিষয়ে বৃহত্তর পরিসরে কাজ হওয়া উচিত, সেগুলো গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হতে পারে।

রাষ্ট্র সংস্কারে প্রথম পর্যায়ে গঠিত ছয় সংস্কার কমিশন সংবিধান, জনপ্রশাসন, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশের ওপর রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট মতামত জানাতে অনুরোধ করে স্প্রেডশিট আকারে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়। আজ পর্যন্ত ৩২টি রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে কমিশন মতামত পেয়েছে।

এর মধ্যে গত ২০ মার্চ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রথম পর্যায়ের সংলাপ শুরু করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ঈদের ছুটির বিরতির পর গত সোমবার থেকে আবারও সংলাপ শুরু করে। আজ পর্যন্ত আটটি দলের সঙ্গে সংলাপ করে কমিশন। আগামী মঙ্গলবার থেকে আবারও সংলাপ করবে কমিশন। ১৭ এপ্রিল বিএনপির সঙ্গে সংলাপ হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির ‘জোড়া’ প্রার্থীতে দ্বিধা

এনসিপিত্যাগীদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘জনযাত্রা’

আগামী নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ

কথিত একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে সহিংসতা করছে: মির্জা আব্বাস

বিএনপি-জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দিল নতুন জরিপ

শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন নজরুল ইসলাম খান

মামুনুল হকের বাসায় নাহিদ, কী কথা হলো দুজনে

জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা কাল-পরশুর মধ্যে: জামায়াত আমির

জামায়াত আমিরের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের সাক্ষাৎ

ক্রিকেটারকে অপমান মানে দেশকে অপমান, বিসিবির সিদ্ধান্তে একমত: মির্জা ফখরুল