হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

ধর্মান্ধতা বিপজ্জনক

ড. এমদাদুল হক

মা-বাবা তাঁদের বিশ্বাসগুলো সন্তানের ওপর চাপিয়ে দেওয়াকে পবিত্র দায়িত্ব মনে করেন। তাই যেভাবে খানের সন্তান খান হয়, সেভাবেই মুসলমানের সন্তান মুসলমান, হিন্দুর সন্তান হিন্দু, পীরের জাদা পীরজাদা, নবাবের জাদা নবাবজাদা এবং অবশ্যই হারামখোরের জাদা হারামজাদা হয়।

না দেখে, না বুঝে, যাচাই না করে কোনো কিছু বিশ্বাস করাকে বলা হয় অন্ধ বিশ্বাস। ধর্ম সম্বন্ধে যার অন্ধ বিশ্বাস থাকে, তাকে বলা হয় ধর্মান্ধ।

দৈনন্দিন জীবনে বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই না করে যে লোক এক কেজি লবণও কেনেন না, সেই লোকই ধর্ম সম্বন্ধে যা শোনেন তা-ই বিশ্বাস করেন। তাই মানুষের ধর্মভাবনায় বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ নেই, আছে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ধর্মান্ধদের চিৎকার, চেঁচামেচি।

যদি কারও অন্ধবিশ্বাস থাকে যে সাঁকোটি ওজন বহন করতে পারবে, তবে বুঝতে হবে—সাঁকোটি ব্যবহার করে ওপাড়ে যাওয়ার আগ্রহ তার নেই। একইভাবে ধর্ম সম্বন্ধে যার অন্ধবিশ্বাস থাকে, জীবনে ধর্ম সংস্থাপনের আগ্রহ তার থাকে না। তাই ইসলাম আছে, শান্তি নেই; ধর্ম আছে, ন্যায় নেই। ধর্মান্ধরা সবধরনের আকাম করে, কিন্তু তারা তা করে সে কালের দলিল দিয়ে। অন্ধ মন পূর্ণ থাকে দলিলে এবং হারিয়ে ফেলে চিন্তা করার সামর্থ্য।

প্রচণ্ড রক্ষণশীলতা ও পক্ষপাতের আতিশয্য ধর্মান্ধতার প্রধান লক্ষণ। ধর্মান্ধরা নিজের জানাকেই চূড়ান্ত মনে করে এবং যারা তার সঙ্গে একমত নয়, তাদের মূর্খ ও ধর্মদ্রোহী আখ্যা দেয়। ফলে ধর্মের নামে হত্যা করাও পবিত্র দায়িত্ব মনে করে জঙ্গি ধর্মান্ধরা। ধর্মান্ধতা বিপজ্জনক হয়ে ওঠে যখন তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হয়। কিংবা নিজেরা রাজনৈতিক দল গঠন করে ক্ষমতার দিকে হাত বাড়ায়। ধর্মান্ধতার কারাগারে সত্যের আলো প্রবেশের জন্য একটিও জানালা খোলা থাকে না।

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কি অস্বস্তিগুলো কাটল

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও মেধাবীদের দীর্ঘশ্বাস

সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কিছু কথা

পথের শেষ কোথায়, খেয়াল নেই

জাতীয় নির্বাচন এবং দুটি কথা

বিশ্ব কি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে

অনেক কিছুই নির্ভর করছে সেনাবাহিনীর ওপর

আজকের জগৎটি অবিশ্বাস আর অনাস্থার

তিমিসমাজ যা শেখাতে পারে

ভ্যাপের বিরুদ্ধে আরও প্রচার প্রয়োজন